Narada Case hearing: নারদা কাণ্ডে হেভিওয়েট নেতামন্ত্রীর শুনানি আজ দুপুরে, চড়ছে উত্তেজনার পারদ‌

হাইকোর্টে হেভিওয়েট শুনানি আজ।

Narada Case hearing: দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে শাসকদলের নেতারা একটাই বার্তা দিচ্ছেন, লড়াইটা আইনি, তাই কোনও ভাবেই বিশৃঙ্খল হওয়া চলবে না।

  • Share this:

    #কলকাতা: বুধবার আড়াই ঘণ্টার কড়া সওয়াল জবাবে নিষ্পত্তি হয়নি। নারদা মামলা স্থানান্তর হবে নাকি জামিন পাবেন রাজ্যের হেভিওয়েট নেতামন্ত্রীরা, কোনও উত্তর মেলেনি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুটোয় ফের শুনানি শুরু হবে নারদা মামলার। আপাতত তাই অপেক্ষার প্রহর গুণছেন চার হেভিওয়েট, কাউন্টডাউন শুরু করেছে রাজ্যবাসীও। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে শাসকদলের নেতারা একটাই বার্তা দিচ্ছেন, লড়াইটা আইনি, তাই কোনও ভাবেই বিশৃঙ্খল হওয়া চলবে না।

    গতকাল অভিযুক্তদের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এই নারদা মামলাকে কার্যত নজিরবিহীন বলেন। বলেন, ৭৫ বছরে এমন ঘটনা ঘটেনি। তাঁর যুক্তি ছিল গত ছয় বছরে অভিযুক্তরা কখনও কোনও রকম অসহযোগিতা করেননি। তাহলে এই করোনার মধ্যে তাঁদের জামিন স্থগিত হল কোন কারণে? ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপচতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, কেন জেলে পাঠাতে হল নেতাদের?

    সিবিআই-এর তরফে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, বিক্ষোভের ফলে সিবিআই অফিসারদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। সেই কারণেই নিম্ন আদালতের রায়ের পরেও হাইকোর্টে জামিন স্থগিত করতে গিয়েছিল সিবিআই।

    অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি অবশ্য বিক্ষোভ তত্ত্বটিকে অন্য মাত্রা দেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, মমতা বন্দ্যপাধ্যায় কোনও বিক্ষোভে অংশ নেননি। তিনি গিয়েছিলেন সংহতি জানাতে। তাঁর প্রতিবাদ ছিল গান্ধিবাদী। আর জনরোষকে তিনি আখ্যা দেন গণতন্ত্রের মূল্য হিসেবে। তাঁর মতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করলে বিশৃঙ্খলা হবেই। তিনি সলমন খান, সঞ্জয় দত্তদের গ্রেফতারির উদাহরণ তুলে আনেন। পাশাপাশি এই অভিযুক্ত নেতারা যে জনতাকে বারংবার শান্ত থাকার অনুরোধ করেছেন সে কথাও মনে করায় টিম সিঙ্ঘভি। সিঙ্ঘভি প্রশ্ন তোলেন অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে জামিন খারিজের মতো ঘটনা কী ভাবে ঘটতে পারে? অন্য একটি প্রশ্নও ওঠে, চার্জশিট তৈরি যখন, তখন অভিযুক্তদের জেলে রাখারই বা কী প্রয়োজন? অভিযুক্তরা যেখানে সকলেই কমবেশি অসুস্থ, সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। মদন মিত্র অতীতে আক্রান্তও হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে তুষার মেহেতার বক্তব্য ধৃতেরা প্রভাবশালী। তাঁরা বাইরে থাকলে প্রভাব খাটাতে পারেন। এই বাকবিতণ্ডাতেই শুনানির সময় শেষ হয়। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী তুষার মেহতার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ভাবে সময় নষ্ট করার অভিযোগ আনেন।

    অবশেষে আজ শুরু হতে চলেছে আরও এক প্রস্থ কচকচানি। সিবিআই চেষ্টা করবে মামলা ভিনরাজ্যে নিয়ে যেতে। আর টিম সিঙ্ঘভির লড়াই অভিযুক্তদের জামিন নিশ্চিত করা। এই মারকাটারি লড়াইতেই চোখ থাকবে রাজ্যবাসীর।

    Published by:Arka Deb
    First published: