নৈহাটির বিস্ফোরণস্থলে জোয়ারের জল, ৪০ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে ফরেনসিক

নৈহাটির বিস্ফোরণস্থলে জোয়ারের জল, ৪০ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে ফরেনসিক
ফরেনসিক দল যাওয়ার আগেই জোয়ার

মুনা থেকে আদৌ কোনও উত্তর মিলবে কিনা, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

  • Share this:

#কলকাতা: জোয়ারের জলে ভেসে গেল নৈহাটি বিস্ফোরণের নমুনা! আজ ফরেনসিক দল পৌঁছনোর আগেই জোয়ারের জলে ভরে যায় বিস্ফোরণে বিশাল গহ্বর। ফলে তথ্যপ্রমাণ নষ্টের আশঙ্কা ষোলো আনা। এই পরিস্থিতিতে প্রায় 80 ঘণ্টা পর, আজ ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা।

আদৌ কী জানা যাবে কেন ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে নৈহাটি? জানা যাবে কত পরিমাণ বা কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল সেখানে? উত্তর মিলবে কার গাফিলতিতে কেঁপে ওঠে নদীর দু’পাড়? যারজেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় সাড়ে চারশো বাড়ি।

অনেক উত্তরই সম্ভবত লুকনো ছিল নৈহাটির ছাইঘাটের এই বিশাল গহ্বরে। কিন্তু জোয়ারের জল ভরে গেল বিস্ফোরণের ফলে তৈরি হওয়া এই গহ্বরটি। তাও আবার ফরেনসিক দল পৌঁছনোর আগেই। বৃহস্পতিবার দুপুরে নৈহাটির ছাইঘাটে বাজেয়াপ্ত বাজি নিষ্ক্রিয় করছিল পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড। তখনই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ফায়ারবল। মাশরুম ক্লাউড।

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, মাটিতে সাত-আট ফুট গভীর গহ্বর তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গহ্বরেই লুকিয়ে ছিল অনেক তথ্য। কিন্তু, ঘটনার প্রায় ৪০-৪২ ঘণ্টা পর, শনিবার সকালে ঘটানাস্থলে গিয়ে পৌঁছয় ফরেনসিক দল। ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে।

এদিন বেলা ১১টা নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। কিন্তু সেই নমুনা থেকে আদৌ কোনও উত্তর মিলবে কিনা, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

First published: 04:05:21 PM Jan 11, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर