• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • শহরে বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে উদ্বিগ্ন পুরসভা, গড়ল উচ্চ পর্যায়ের কমিটি

শহরে বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে উদ্বিগ্ন পুরসভা, গড়ল উচ্চ পর্যায়ের কমিটি

শহরে বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করল কলকাতা পুরসভা।

শহরে বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করল কলকাতা পুরসভা।

শহরে বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করল কলকাতা পুরসভা।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: শহরে বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করল কলকাতা পুরসভা। পুজোর পরই কমিটির রিপোর্ট জমা পড়বে। শহরে একের পর এক বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে মৃত্যুর ঘটনায় রাশ টানতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পুরসভা। সেজন্য প্রয়োজনীয় আইন ছিল না পুরসভার হাতে।  আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির  মাথায় রেখে  সর্বসম্মত নীতি তৈরি করতেই গঠিত হল কমিটি। গত কয়েক দিনে শহরে বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। পাথুরিয়াঘাটায় বাড়ি ভেঙে চাপা পড়েন দুই মহিলা। ভেঙে পড়া এই বাড়িগুলিতে অনেক আগেই বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করেছিল পুরসভা। শহরের অন্য বিপজ্জনক বাড়ি নিয়েও একই সমস্যায় পুরসভা। অধিকাংশ বাড়ির মালিকানা নিয়ে সমস্যা রয়েছে ৷ অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকানা নিয়ে মামলা চলছে ৷ নামমাত্র ভাড়া পাওয়ায় মালিক বাড়ি সারাতে আগ্রহী হন না ৷ ভাড়াটেরাও কম ভাড়ায় থাকার সুযোগ ছাড়তে চান না ৷ বাড়ি সারাইয়ের দায়িত্ব কার, তা নিয়ে নির্দিষ্ট আইন নেই ৷ আর এইসব কারণেই বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার পুরসভার নেই। ক্যালকাটা মিউনিসিপ্যাল অ্যাক্ট, ১৯৮০ এর ৪১১ (১) ধারায়  বিপদ্দজনক বাড়ির মালিককে নোটিশ পাঠাতে পারে পুরসভা ৪১১ (২) ধারায় বাড়ির সামনে বিপজ্জনক বাড়ির নোটিশ ও বোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া যায় ৪১১ (৫) ধারায় পুর কমিশনার বাড়ির মালিককে সারাইয়ের জন্য চাপ দিতে পারেন। তাতে কাজ না হলে বাড়ি ভাঙার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সেই টাকা মালিকের থেকে আদায় করা যায়। বুধবার সমাজের সবস্তরের মানুষকে নিয়ে পুরসভার বৈঠকেও নতুন আইনের ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে। সমস্যা সমাধানে এদিন যে কমিটি তৈরি হল, তারা অন্যান্য আইনি দিকও খতিয়ে দেখবে। অবনীশ কুমার বনাম দিল্লি সরকার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, কোনও অবস্থাতেই বৈধ নাগরিককে বাস্তুচ্যুত করা যাবে না। জনস্বার্থে তেমন প্রয়োজন পড়লে উচ্ছেদকারীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তার বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থাও করে দিতে হবে। নতুন আইনের বদলে পুর-আইন সংশোধনী আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে কমিটিকে। উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটির ওপর মূলত ৩টি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে - বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে বাড়িওলা ও ভাড়াটের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা - নোটিশ পাঠানোর পর পুরসভার করণীয় স্থির করা - একটি সার্বিক নীতি তৈরি এই রিপোর্ট জমা পড়ার আগেই অবশ্য কাজ শুরু করে দিচ্ছে পুরসভা। পুরসভা সূত্রে খবর, এবার বাড়িওলার সঙ্গে সঙ্গে ভাড়াটেদেরও নোটিশ ধরানো হবে। নিশ্চিত করা হবে তাদের দায়বদ্ধতাও।

    First published: