হোম /খবর /কলকাতা /
মনীষ শুক্লা খুনে ধৃত 'মোস্ট ওয়ান্টেড' অনীশকে কলকাতায় আনল সিআইডি

মনীষ শুক্লা খুনে ধৃত 'মোস্ট ওয়ান্টেড' অনীশকে কলকাতায় আনল সিআইডি

গত বছর ৪ অক্টোবর খুন হন মনীষ শুক্লা। টিটাগড়ে পার্টি অফিসের সামনে ঢিল ছোড়া দূরত্বে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় দাপুটে নেতাকে

  • Share this:

# কলকাতা : টিটাগড়ের দাপুটে বিজেপি নেতা মনীষ  শুক্লা খুনের  ঘটনায় ধৃত  মোস্ট ওয়ান্টেড  শার্প শুটার  অনিস ঠাকুরকে  তামিলনাড়ু  থেকে কলকাতায় নিয়ে এল সিআইডি।  আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি  টি - আই প্যারেড করার নির্দেশ আদালতের। অনীশকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর  তথ্য সিআইডির হাতে। সিআইডি  সূত্রে খবর,মনীশ শুক্লা  খুনের  ঘটনার  দিন শার্প শুটার অনীশ  গুলি চালিয়েছিল।  ঘটনার দিন অনীশ বিহার জেলে  বন্দী সুবোধ সিংকে দশ  বার ফোন করে  কথা বলেছিল। শুধু তাই নয়, বারাকপুরে ধৃত সুবোধ  রায়ের  সঙ্গেও কথা হয় অনিশের।

সিআইডি  সূত্রে খবর,  গুলি চালানোর পর ফোন নষ্ট করে ফেলে দেয়  অনিশ। ফলে অনিসকে জেরা করে ওই ফোন  কোথায় ফেলেছিল তা  জানার চেষ্টা করবে সিআইডি, চলছে বাকি শার্প  শুটারদের খোঁজ।শনিবার  বারাকপুর আদালতে অনিশকে পেশ  করে  সিআইডি। টি- আই প্যারেডের  জন্য এদিন সিআইডি-র তরফে আদালতের কাছে আবেদন করা  হয় ।  শার্প  শুটার  অনিশকে  কিছু দিন আগে গ্রেফতার করেছিল তামিলনাড়ু পুলিশ ।  তামিলনাড়ু চন্দ্রপুরা এলাকায় স্বর্ণ ঋণ প্রদানকারী সংস্থাতে ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা  পরে অনীশ ।  তাকে তামিলনাড়ু পুলিশ গ্রেফতারের পর যোগাযোগ করে  সিআইডি । সিআইডির একটি টিম   এরপর তামিলনাড়ু গিয়ে অনিশকে জেরা করে । শুক্রবার রাত তিনটে  নাগাদ  তামিলনাড়ু  থেকে অনিশকে  নিয়ে আসা হয় কলকাতার ভবানী ভবনে।

গত বছর ৪ অক্টোবর খুন হন মনীষ শুক্লা। টিটাগড়ে পার্টি অফিসের সামনে ঢিল ছোড়া দূরত্বে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় দাপুটে নেতাকে। ঘটনার তদন্তভার নেয় সিআইডি। গ্রেফতার করা হয় মূল ষড়যন্ত্রকারী  নাসির আলি মন্ডল, শার্প শুটার সুজিত রাই , রোশান কুমার, মোহাম্মদ  খুররাম খান, গুলাব আলি শেখ, সুবোধ রায়, পবন রায়, অমর  যাদব, গুলাব ও  রাজা রায় । প্রায় অষ্টআশি   দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করে সিআইডি । সন্দেহভাজনের  তালিকায় রয়েছে ১২ জনের  নাম, এরমধ্যে রয়েছে দুই বিদায়ী  পুরপ্রশাসকের নামও।  টি  আই প্যারেডের  পর  অনীশকে হেফাজতে  নিয়ে  জেরা করবে সিআইডি, যার ফলে  তদন্তের গতি বাড়বে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।ARPITA   HAZRA  

Published by:Rukmini Mazumder
First published: