কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতার বেশির ভাগ সরকারি হাসপাতালেই চলছে শয্যা বিক্রির চক্র !

কলকাতার বেশির ভাগ সরকারি হাসপাতালেই চলছে শয্যা বিক্রির চক্র !
photo source collected

সরকারি হাসপাতালে দালাল রাজ চলছেই।

  • Share this:

#কলকাতা: সরকারি হাসপাতালে দালাল রাজ চলছেই। সকাল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে লিভারের ডিপার্টমেন্টে ভর্তি করানোর জন্য হন্যে হয়ে ঘোরার পর মোটামুটি বোঝা যাচ্ছিল কিছু একটা অসাধু চক্র চলে ওই হাসপাতালে । হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে করে যে রোগীরা আসে, সেই অ্যাম্বুলেন্স চালক এবং সহায়করা রোগীর বাড়ির লোকেদের নিয়ন্ত্রণ করে।এমনকি হাসপাতালে এসে কোন শৌচালয় ব্যবহার করবে সেটা ঠিক করে দেয়।

 স্ত্রীরোগ বিল্ডিংয়ের পাশে যেখানে অক্সিজেন স্টোর রয়েছে, সেখানে গিয়ে নিজেদের অসহায়তার কথা বোঝালে, ওই ছেলেটি  ঠিকানা বলে দিলেন, উপদেশ দিলেন ,কোথায় গেলে রোগী ভর্তি করানো যেতে পারে।বলে দিলেন হাসপাতালের ভেতরে লাল বিল্ডিং এর কাছে যেখানে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে, সেখানেই কিংবা সেখানকার ভেতরে দিকে চা দোকানের পাশে, যারা ওয়ার্ড বয়ের কাজ করে তারাই ওখানে আড্ডা দেয়, ওরাই ভর্তি করিয়ে দেয়।

সেই কথা মতো ঠিক ওই আম্বুলান্স এর কাছে গিয়ে উপস্থিত হতেই হাসপাতাল কর্মী তারকেশ্বর মহাতর সঙ্গে দেখা ! তিনি বলেই দিলেন ভেতরে চায়ের দোকানের কাছে চলে যেতে, যারা ওয়ার্ডে কাজ করে তারা কিছু টাকা-পয়সা নিয়ে হাসপাতালে শয্যা ঠিক করে দেবেন। সেখানে গিয়ে চায়ের দোকানে নিজেদের আবেদন রাখা হল। চতুর চাওয়ালা কোনভাবেই শিকার করছিলেন না।  তবে পাশে গাছ তলায় বসে থাকা ওয়ার্ড বয়, যারা ওখানকার স্থানীয় বলেই পরিচিত তাদের কাছে গিয়ে বলার পর ইনিয়ে বিনিয়ে বললেন পুরানো কার্ড টা নিয়ে যাওয়ার জন্য। তাহলেই তারা সাহায্য করবে। এই সাহায্য মানে প্রকৃত রোগীর বাড়ির লোক কিনা  যাচাই করে দেখে নেয়! সেটা প্রমাণ করেই দরা দরি করবে ওরা।

এর আগে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালচক্র ফাঁস করা হয়েছিল নিউজ ১৮ বাংলায়। সেখানে নাগরী মাসির কীর্তি তুলে ধরা হয়েছিল। নাগরী, আমাদেরকে কিভাবে সাহায্য করবেন! সেটা জানিয়েছিলেন । অর্থাৎ হাসপাতাল গুলোতে  দালাল রাজ এখনও চলছে।  মানিক তলার এক ভদ্রলোক বলেন,তিনি যখন তার আত্মীয়কে নিয়ে,মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন,তখনও তাকে টাকা দিয়ে ভর্তি করাতে হয়েছিল।কারণ রোগী যখন মূমুর্ষূ থাকে,তখন জীবনের কাছে অর্থ তুচ্ছ থাকে।সবাই সেই পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ফেলে।

এন আর এস হাসপাতালে শিবু মল্লিক,ইমার্জেন্সির সামনের ট্রলি বয়।তার খোঁজে গেলাম।শিবুকে না পেলেও ওর ভাইকে অর্থাৎ সহকর্মীকে পাওয়া গেল। ওই শিবু তার দলবল নিয়ে ওই হাসপাতালে রোগী ভর্তি করে। তবে এরা টাকা নিয়ে ভরতি করায়।আমাদের রোগীর ব্রেন হেমারেজ।জ্ঞান আছে।পিজি হাসপাতালে আইসিইউ তে ভরতি করে দেবে।আধ ঘন্টা পরে ফোনে জানাবে কত টাকা নেবে।এন আর এস এ টাকা দিলেও ট্রলিতে হবে।  হাসপাতালে দিনের পর দিন এই শয্যা বিক্রির চক্র চলে আসছে।আর এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত সবাই।এটা একটি সূত্রের খবর।  সামনে থেকে হাসপাতাল কতৃপক্ষকে সজাগ দেখলেও ,তাদের আদতে কোনও সক্রিয় ভূমিকা থাকে না। গরীবদের হাসপাতালে এসে প্রতারণার স্বীকার হতেই হয়।

SHANKU SANTRA

Published by: Piya Banerjee
First published: September 18, 2020, 11:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर