গতবারের তুলনায় বাড়ছে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টরের সংখ্যা ! উচ্চমাধ্যমিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে তৎপর শিক্ষা সংসদ

গতবারের তুলনায় বাড়ছে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টরের সংখ্যা ! উচ্চমাধ্যমিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে তৎপর শিক্ষা সংসদ

গত বছর থেকেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল সাইটগুলিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে মেটাল ডিটেক্টর এর ব্যবহার শুরু করেছিল।

  • Share this:

SOMRAJ BANDOPADHYAY

#কলকাতা: গত বছর থেকেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল সাইটগুলিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে মেটাল ডিটেক্টর এর ব্যবহার শুরু করেছিল। এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়াতে চায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তার জন্য রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন কে চিঠি দিল সংসদ সভাপতি মহুয়া দাস। বেশিরভাগ পরীক্ষা কেন্দ্রেই মোবাইল আটকাতে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করার অনুমতি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আপাতত সংসদের প্রস্তাবটিই স্কুল শিক্ষা দপ্তরের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে দপ্তর সূত্রে খবর। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেই প্রয়োজনীয় অনুমোদন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদকে দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

মাধ্যমিক হোক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর পরপরই হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল সাইট গুলিতে প্রশ্নপত্র বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে কয়েক বছর ধরে। তা আটকাতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবারে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইতিমধ্যেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মাধ্যমিক পরীক্ষায় একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এর পর এবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ও প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। তাই সংসদের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বেশিরভাগ পরীক্ষা কেন্দ্রে ই মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহারের কথা। গত বছর থেকেই প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপে আটকাতে মেটাল ডিটেক্টরর ব্যবহার শুরু করেছিল সংসদ। কিন্তু তা সীমাবদ্ধ ছিল ২৫ শতাংশ পরীক্ষাকেন্দ্রের মধ্যেই। এবার সংখ্যা আরো ও বাড়াতে চায় সংসদ। মূলত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাা নেওয়ার জন্য বেশিরভাগ পরীক্ষা কেন্দ্রে ই মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করতে চায় তারা। তার জন্য রাজ্য স্কুুল শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন কে চিঠি দিয়েছে সংসদ। এ নিয়ে সংসদ সভাপতি মহুয়া দাস বলেন "আমরা এবার বেশি সংখ্যক পরীক্ষা কেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করতে চাই। পরীক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার জন্য এই প্রস্তাব স্কুল শিক্ষা দপ্তর কে পাঠানো হয়েছে।"

গতবছর উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল প্রায় দু হাজার। তবে সংসদের তরফে রাজ্য সবকটি জেলা মিলিয়ে ৫০০ টির মত স্পর্শ কাতর পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হয়েছিল। তার জেরে এই ধরনের ঘটনা আটকানো গেছিল বলে সংসদের দাবি। এবারে ২০০০ টির ও বেশি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে উচ্চমাধ্যমিকে র। তাই নিরাপত্তা নিয়ে কোন ঝুঁকি নিতে চাইছে না সংসদ। মেটাল ডিটেক্টর যাতে ৫০ শতাংশেরও বেশি পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহার যায় এই পদক্ষেপ নিচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

গত বছর থেকেই প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল সাইট গুলিতে বেরোনো আটকাতে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার শুর

First published: December 27, 2019, 12:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर