• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ফের অভিযুক্ত অ্যাপোলো, ১৭ ঘণ্টা দেরিতে অপারেশন শুরু হওয়ায় পা খোয়া গেল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর

ফের অভিযুক্ত অ্যাপোলো, ১৭ ঘণ্টা দেরিতে অপারেশন শুরু হওয়ায় পা খোয়া গেল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর

১৭ ঘণ্টা দেরিতে শুরু অপারেশন। অন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ডান পা খোয়া গেল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর।

১৭ ঘণ্টা দেরিতে শুরু অপারেশন। অন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ডান পা খোয়া গেল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর।

১৭ ঘণ্টা দেরিতে শুরু অপারেশন। অন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ডান পা খোয়া গেল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর।

  • Share this:

    #কলকাতা: আবারও অমানবিকতার নজির। টাকা না পেয়ে আবারও চিকিত্সায় দেরি।  ১৭ ঘণ্টা দেরিতে শুরু অপারেশন। অন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ডান পা খোয়া গেল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর। তবে বিল মেটাতে না পারায় জমা রাখা হয়েছিল প্যান কার্ড। মঙ্গলবার বকেয়া শোধের পরেও মেলেনি প্যান কার্ড। শতাব্দী চক্রবর্তীর পরিবারের অভিজ্ঞতা সঞ্জয় রায়ের মতোই। অভিযুক্ত সেই অ্যাপোলো হাসপাতালই।

    পয়লা ফেব্রুয়ারি গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হন বেলেঘাটার বাসিন্দা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী শতাব্দী চক্রবর্তী। অ্যাপোলোয় নিয়ে যাওয়া হলে জানানো হয় ৬০ হাজার টাকা জমা না হলে চিকিত্সা শুরু হবে না। কোনওমতে ২০ হাজার টাকা জোগাড় করতে পারলে ভর্তি নেওয়া হয় শতাব্দীকে। টাকা জমা দেওয়ার চাপে নাকি ১৭ ঘণ্টা পর অস্ত্রোপচার শুরু হয় শতাব্দীর।

    অবস্থা বেগতিক দেখে আর এন টেগোরে ভর্তি করে পরিবার। সেখানেই ডান পা বাদ দিতে হয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর।

    এখানেই শেষ নয়। চিকিত্সার গাফিলতির অভিযোগ তো আছেই। বিল না মেটানোয় সঞ্জয়ের পরিবারের মতো এফডি জমা দিতে পারেননি। তাই প্যান কার্ড জমা দিতে হয়। এমনকী বকেয়া শোধের পরেও মঙ্গলবার প্যান কার্ড ফেরত দিতে চায়নি অ্যাপোলো।

    সঞ্জয় রায়ের পরিবারের মতোই অভিজ্ঞতা শতাব্দী চক্রবর্তীর পরিবারের। প্রতিদিনই নতুন নতুন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে অ্যাপোলোর বিরুদ্ধে।

    First published: