ঘরে বাইরে চাপে সুর নরম, রাজ্যের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক মোর্চা

ঘরে বাইরে চাপে সুর নরম, রাজ্যের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক মোর্চা

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Aug 22, 2017 01:26 PM IST
ঘরে বাইরে চাপে সুর নরম, রাজ্যের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক মোর্চা
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Aug 22, 2017 01:26 PM IST

#কলকাতা: ঘরে বাইরে চাপে সুর নরম মোর্চার। রাজ্য সরকারিভাবে আলোচনায় ডাকলে যেতে প্রস্তুত তারা। এমনটাই জানালেন মোর্চার যুগ্ম সম্পাদক তথা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিনয় তামাং। একইসঙ্গে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ ঝেড়ে ফেলতে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের বিস্ফোরণের কেন্দ্র বা রাজ্যের এজেন্সি দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে তারা।

পাহাড় আন্দোলনে বিদেশি শক্তির মদত। অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করছে উত্তর-পূর্বের জঙ্গি সংগঠনগুলি। প্রথম থেকেই এই অভিযোগ করে আসছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রকেও সেই রিপোর্টেই দেওয়া হযেছে রাজ্যের তরফে। পরপর দু’দিন, দার্জিলিং ও কালিম্পঙে শক্তিশালী বিস্ফোরণে সেই অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশে বিমল গুরুং সহ মোর্চার বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিতও করে, তাদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা করেছে রাজ্য সরকার। আন্দোলনের নামে পাহাড়ে জঙ্গি কার্যকলাপের চালানোর তকমা ঝেড়ে ফেলতে এবার তৎপর মোর্চা নেতৃত্ব। কেন্দ্রের NIA বা রাজ্যের গোয়েন্দাদের দিয়ে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং।

সোমবারই পাহাড় বনধ ৬৭ দিনে পড়ল। লাগাতার বন্্ধে নিভিশ্বাস উঠেছে পাহাড়বাসীর। ইতিমধ্যেই সাদারণ মানুষের সমর্থন কমেছে মোর্চার প্রতি। সমন্বয় কমিটিতেও বনধের যৌক্তিকতা ও বিমল গুরুঙের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই অবস্থায় সম্মানজনক রফাসূত্রের খোঁজে বিমল গুরুংরা।

মোর্চা নেতা বিমল গুরুং জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানে কেন্দ্র ও রাজ্য দায় এড়াতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব পাহাড়ে স্থিতাবস্থা ফেরাতে বৈঠক ডাকা উচিত। সেই বৈঠকে যোগ দেবে মোর্চা নেতৃত্ব। রাজ্য এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের দাবি, জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্তদের কোনওমতেই রেয়াত করা হবে না।

পৃথক রাজ্যের দাবিতে মোর্চার ডাকে আন্দোলন চলছে। অথচ দেখা নেই বিমল গুরুং, রোশন গিরির মত মোর্চার প্রথম সারির নেতাদের। আন্দোলনে বিমল গুরুংদের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছে মোর্চার নেতারা। তাই সুর নরম করে আন্দোলনের ঝাঁজ কমানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের কাছে।

First published: 12:42:54 PM Aug 22, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर