Modi Mamata meeting: বৈঠকে ডেকেও বলতে দেওয়া হল না, 'অসৌজন্যে' ক্ষুব্ধ, স্তম্ভিত মমতা

প্রধামন্ত্রীর বৈঠকে আমন্ত্রিত হয়েও অসৌজন্যে ক্ষুব্ধ মমতা।

মমতার যুক্তি, এই অসৌজন্য বেনজির, এই অসহোযোগিতার আবহ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সরাসরি আঘাত।

  • Share this:

    #কলকাতা: দশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড বৈঠকে বসলেন প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে আজ উপস্থিত ছিলেন না আমাদের রাজ্যের ৯ জেলার জেলাশাসক। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্য মুখ্যসচিব ও স্বাস্থ্যসচিব। বৈঠকে মোদি জোর দিলেন টিকাকরণে জোর দেওয়ায়। আর বৈঠক শেষ হতেই শুরু হল নতুন তরজা। সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় অভিযোগ জানালেন, আম‌ন্ত্রণ করেও একজন মুখ্যমন্ত্রীকেও বলার অনুমতি দেওয়া হয়নি বৈঠকে। তাঁর যুক্তিতে, এই অসৌজন্য বেনজির, এই অসহোযোগিতার আবহ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সরাসরি আঘাত।

    এদিন সংক্ষিপ্ত বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি বলেন খুব শিগগির রাজ্যগুলিতে আরও ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার কাজ করবে কেন্দ্র। তাঁর যুক্তি করোনার প্রথম ঢেউ‌ থেকে শিক্ষা নিয়েই লড়তে হবে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে। বাঁচাতে হবে মানুষের প্রাণ। একই সঙ্গে কালোবাজারি আটকাতে হবে। সংক্ষিপ্ত বৈঠক শেষ হতেই মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক শুরু করে দেন।

    এক নজরে দেখুন মমতার তোলা অভিযোগগুলি-

    অসৌজন্যে স্তম্ভিত মুখ্যমন্ত্রী 

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলন, দশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও জেলাশাসকদের ডাকা ছিল। আমি ছিলাম, মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্যসচিব ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীদের একটি কথাও বলতে দিলেন না উনি। আমি সমস্ত দাবিদাওয়া নিয়ে তৈরি ছিলাম। উনি চেনা চার পাঁচজনকে দিয়ে বলিয়ে নিজে বলে মিটিং শেষ করে দিলেন। আমি, আমরা মুখ্যমন্ত্রীরা স্তম্ভিত তাঁর অসৌজন্যে। আমাদের পুতুল বানিয়ে রাখা হয়েছিল। আমরা লজ্জিত সরকারের দশ বছর পূর্ণ হওয়ার দিনে। আমরা ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রীকে বলব ভ্যাকসিনটা দিন।

    গা ছাড়া মনোভাবের অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী বলছেন, করোনা কমে গিয়েছে। এই ধরনের গা ছাড়া ভাবের জন্য করোনা বেড়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত বাংলায় আধাসেনা রয়েছে বাংলায়।

    ভ্যাকসিনের ডোজের ব্যবধানের সমস্যা

    আমরা ১৮৪ টা সরকারি হাসপাতাল এবং ৪১ টি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর এত ভয় কীসের, এত অবহেলা কীসের, কথা শুনতে না চাইলে মিটিংয়ে ডেকেছেন কেন! ভ্যাকসিন কখনও দেওয়া হচ্ছে চার সপ্তাহের ব্য়বধানে। কখনও দেওয়া হচ্ছে আরও ব্যবধানে। কেন হচ্ছে এমনটা?

    ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

    ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধ দেবো কী করে। কেন্দ্রের কাছে এই ওষুধ আছে। আমাদের এখানেও চারটি ঘটনা ঘটেছে। দিল্লিতে বসে বলছেন সব ঠিক আছে!

    ভ্যাকসিন সওয়াল‌

    আমরা তিন কোটি ভ্যাকসিন চেয়েছিলাম। দেয়নি। এ মাসে আমাদের ২৪ লক্ষ ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। তার মধ্যে ১৩ লক্ষও পাইনি। রেমডিসিভির-অক্সিজেন পাচ্ছি না। প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে গেলেন মুখ লুকিয়ে?

    যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোয় আঘাত

    ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়ে গেলে ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। কেন দিচ্ছেন না? মিটিংয়ে ডেকে একটা কথাও না বলতে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোকে গুড়িয়ে দেওয়ার সামিল?

    Published by:Arka Deb
    First published: