• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • MINISTER SUBRATA MUKHERJEE APPRECIATES EDUCATION MINISTER BRATYA BASU FOR HIS WORK SB

Bratya Basu | Subrata Mukherjee: 'যোগ্য মন্ত্রী' ব্রাত্য বসুকে দরাজ সার্টিফিকেট বর্ষীয়ান মন্ত্রী সুব্রতর! কেন?

ব্রাত্যর প্রশংসায় সুব্রত

Bratya Basu | Subrata Mukherjee: ব্রাত্য বসুকে "যোগ্য মন্ত্রী" বলে দরাজ সার্টিফিকেট বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের।

  • Share this:

#কলকাতা: ব্রাত্য বসুকে (Bratya Basu) "যোগ্য মন্ত্রী" বলে দরাজ সার্টিফিকেট বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের (Subrata Mukherjee)। শিক্ষক দিবসের সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ। ভার্চুয়াল মোডে রাজ্যের সব জেলা জুড়ে তখন গুণীজনের নক্ষত্র সমারোহ। উপস্থাপক খোদ শিক্ষা সচিব মনিশ জৈন আর ছিমছাম ঘরোয়া মঞ্চে বর্ষীয়ান সুব্রত মুখোপাধ্যায় সঙ্গে ব্রাত্য বসু এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ভার্চুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।  ইন্টারনেটের দৌলতে বিকাশ ভবনের চলমান ফ্রেম তখন মুঠোফোন বন্দি রাজ্যের অগণিত ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা, অধ্যাপক ও অধ্যাপিকাদের। সিনিয়রিটির সূত্রে দু-কথা বলতে উঠেই ব্রাত্য বসু সম্পর্কে দরাজ সার্টিফিকেট ভেসে এল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের গলা থেকে।

পঞ্চায়েত, শিক্ষা, কৃষি এবং ভার্চুয়ালে শিল্প মন্ত্রী জুড়ে রয়েছেন।  শিক্ষা মন্ত্রীকে সটান যোগ্য মন্ত্রী বলে সার্টিফিকেট পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। পাশে ব্রাত্য বসুকে রেখেই এই সার্টিফিকেট। হঠাৎ এমন প্রশংসায় মোড়া কেন শিক্ষামন্ত্রীকে? যে সময়কালে শিক্ষা দপ্তরের বাইরে "বিষপান" আন্দোলন নিয়ে রাজ্যে চর্চা শুরু হয়েছে বিস্তর। এসএসকে, এমএসকে, চুক্তি ভিত্তিক শিক্ষকদের আন্দোলনের তীর শিক্ষা দপ্তরের দিকে। প্রাথমিক বোর্ড,  স্কুল সার্ভিস কমিশনের কিছু নিয়োগ সুপারিশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ হাইকোর্ট। সেই সময় এমন যোগ্য মন্ত্রী সার্টিফিকেট কার না ভালো লাগে!

শিক্ষামন্ত্রী বলতে শুরু করতেই, এবার যেন ফিরিয়ে দেওয়ার পালা। ব্রাত্য বসু জানালেন, বরাবর শ্রদ্ধার সুব্রত মুখোপাধ্যায়। পিঠচাপড়ানি সুব্রতর আর ব্রাত্যর শ্রদ্ধার আসনে বসানো। সুব্রত মুখোপাধ্যায় আরও বলে চলেন, "ব্রাত্য বসু সর্বক্ষণ পড়াশোনা, নাটক, সংস্কৃতি নিয়ে চর্চায় থাকা একজন মানুষ, তাই সেই যোগ্য শিক্ষামন্ত্রী।"

আরও পড়ুন: 'ক্ষমতা থাকলে ১০ পয়সারও লেনদেন সামনে আনুন', ইডির কাছে যাচ্ছেন অনড় অভিষেক

শিক্ষক দিবসে এ যেন স্যার  ও স্টুডেন্টের এক অমোঘ টান। একজনের আর একজনের কাজের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা থাকলে তবেই সেরাটা বের করে আনা যায়। এমন পাঠই হয়তো দিলেন এদিন রাজ্যের দুই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রী। মনোগ্রাহী সঞ্চালনায় বার বার উঠে আসছিল বিদ্যালয়, শিক্ষকদের নাম। রাজ্যের ৬১ জন শিক্ষক অধ্যাপককে এদিন চলতি শিক্ষাবর্ষের জন্য শিক্ষারত্নে সম্মানিত করা হলো। এর মধ্যে ২ জন রয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষক আর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অধ্যাপিকা ২১ জন। সেরা বিদ্যালয়ের পুরস্কার পেলো মোট ১১ টি বিদ্যালয়।শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এদিন জানিয়েছেন, হাইকোর্টের পরামর্শ মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিযোগ জানানোর জন্য গ্রিভান্স সেল তৈরি হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে দেওয়ার আন্দোলন না করার আবেদন করেছেন তিনি এদিন।

Published by:Suman Biswas
First published: