• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ২৪ ঘণ্টায় ভোলবদল! যোগ দিয়েই বিজেপি ছাড়লেন মেহতাব হোসেন

২৪ ঘণ্টায় ভোলবদল! যোগ দিয়েই বিজেপি ছাড়লেন মেহতাব হোসেন

ভক্তদদের মনে এই ছবিটাই অটুট থাক, চান মেহেতাব।

ভক্তদদের মনে এই ছবিটাই অটুট থাক, চান মেহেতাব।

কোনও চাপ কি বাধ্য করছে মেহতাবকে এই সিদ্ধান্ত নিতে? এই ধরনের যুক্তি উড়িয়ে দিয়ে মেহতাব বলছেন, স্বেচ্ছায় সরে যাচ্ছেন তিনি।

  • Share this:

    #কলকাতা: ২১ বছর মাঠ কাঁপিয়ে তবে খেলা ছেড়েছিলেন ২০১৯ এ। কিন্তু রাজনীতির ময়দানে পা রেখে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুর বদলালেন ইস্ট-মোহনবাগান দুই দলেরই তারকা ফুটবালার মেহতাব হোসেন। দিলীপ ঘোষের হাত ধরে পদ্ম শিবিবরে প্রবেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি ছাড়লেন মেহতাব হোসেন।

    মিডফিল্ড জেনারেল এদিন তিনি নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, "রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেব। মাঝে মধ্যে বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্রতর স্বার্থ ত্যাগ করতে হয়।" মেহেতাবের স্পষ্ট মত, তাঁর এই এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত পরিবার সমর্থন করেনি। পরিবারের কারণেই তিনি রাজনীতি ছাড়তে চান।

    নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে বুধবার মেহতাব লিখেছেন, "আমি চাই না আমার জীবনটা বদলে যাক । আমার পরিবার মৌমিতা, জিদান, জাভি কেউই সমর্থন করেনি আমার আকস্মিকতা । ঠিক যেভাবে সাধারণ মানুষ কষ্ট পেয়েছে , সেভাবে ওরাও পেয়েছে । সকলকে নিয়েই তো আমার পরিবার। পরিবারের মুখগুলো কষ্ট পেলে আমিও ভেঙে পড়ি, এটাই স্বাভাবিক- এটাই জীবনের নিয়ম। আমার কাছে অন্য কোনও কিছুর থেকে ওই 'মিডফিল্ড জেনারেল ' নামটা অনেক বেশি প্রিয় , অনেক বেশি আপন।"

    কিন্তু কোনও চাপ কি বাধ্য করছে মেহতাবকে এই সিদ্ধান্ত নিতে? এই ধরনের যুক্তি উড়িয়ে দিয়ে মেহতাব বলছেন, স্বেচ্ছায় সরে যাচ্ছেন তিনি। তিনি লিখছেন, "কারো প্রতি কোনও ঘৃণা নেই , রাগ নেই । বাইরের কেউ এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্যও করছে না । সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছাতেই সরে যাচ্ছি এই রাজনীতির ময়দান থেকে । যেভাবে মানুষের পাশে থেকেছি সেভাবে ভবিষ্যতেও থাকব।"

    ২১ বছরের কেরিয়ারে শুধু গ্যালারি থেকে ভেসে এসেছে চিৎকার 'মেহতাব', 'মেহতাব।একমাত্র বাঙালি ফুটবলার যিনি টানা সাতবার লিগ জয়ী দলের সদস্য। মাঠে কোনও দল-মতের পার্থক্য ছিল না, ফুটবল যে রাজনীতির ঊর্ধ্বে। হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলেও সেই চেনা মাঠ থেকে না বেরোনোকেই ভাল মনে করলেন মেহতাব। সরাসরি লিখলেন- আজ থেকে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমি যুক্ত নই ।

    Published by:Arka Deb
    First published: