‘টক টু মেয়র’-এ অভিযোগ পেয়ে নিজের নির্দেশে রাখা গাড়ি নিজেই সরাতে বললেন ফিরহাদ

‘টক টু মেয়র’-এ অভিযোগ পেয়ে নিজের নির্দেশে রাখা গাড়ি নিজেই সরাতে বললেন ফিরহাদ
নিজের নির্দেশে রাখা গাড়ি নিজেই সরাতে বললেন মেয়র

অভিযোগ তাদের বাড়ির গলি ভীষণ সংকীর্ণ। হাঁটা চলা কষ্ট করে করতে হয়। সেই গলির মধ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে একটা চার চাকা গাড়ি। বারবার বলা সত্ত্বেও সেই গাড়ির চাকা গলির আশ্রয় থেকে গড়াতে চায়না।

  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#বেহালা: গাড়ি রাখতে বলেছে ববি দা। তাই আমি গাড়ি সরাবো না। গাড়ি সরাতে বললেই মেয়রের নাম নিয়ে চলছে ভয় দেখানো। ববিদা আপনি এবার কিছু একটা করুন।

টক টু মেয়রে শনিবার বিকেলে বেহালা থেকে এমনই একটা ফোন আসে মহানাগরিকের কাছে। ফোনের অপর প্রান্তে থাকে ব্যক্তি হাঁফাতে হাঁফাতে ফোন করেন টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে। অভিযোগ তাদের বাড়ির গলি ভীষণ সংকীর্ণ। হাঁটা চলা কষ্ট করে করতে হয়। সেই গলির মধ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে একটা চার চাকা গাড়ি। বারবার বলা সত্ত্বেও সেই গাড়ির চাকা গলির আশ্রয় থেকে গড়াতে চায়না।

এদিকে ছোট গলিতে বড় গাড়ি থাকার জন্য নিত্য দিন অসুবিধায় পড়ছেন ওখানের মানুষ। বারবার বলেও মেলেনি সাহায্য। তাই বাধ্য হয়েই টক টু মেয়রে ফোন করেন বেহালার বাসিন্দা।

সাধারণত রাস্তা খারাপ বা জল নেই এমনই অভিযোগ আসতে থাকে টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে। সেখানে এমন অভিযোগ পেয়ে হেসে ফেলেন ওখানে উপস্থিত সবাই। তবে হাসি থামিয়ে মন দিয়ে অভিযোগ শোনেন মেয়র। শুধু এলাকা নয় এখন ববি নামেই রাজ্যের মন্ত্রী, কলকাতার মেয়র ও তৃণমূলের এই দক্ষ সংগঠককে সবাই চেনে। তবে কাছের লোকেরা ছাড়া কেউ সামনে থেকে ববি বলে তাকে কেউ ডাকেও না। তো সেই ববি গলিতে গাড়ি রাখতে বলেছে এমন কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে যান সকলেই। তবে মেয়র নিজেই বলে বসেন, ববি যখন গাড়ি রাখতে বলেছে, তখন ববিই বলছে ওই গাড়ি টেনে নিয়ে আসা হোক। যাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা না হয়। দফতরের আধিকারিকদের মেয়র নির্দেশ দেন, বেহালার যদু কলোনীতে গিয়ে ওই গাড়ি নিয়ে যেন বিহিত করা হয়। দরকারে পুলিশের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ নিতে বলেন তিনি। মেয়রের আশ্বাসে খুশি ফোনের ওপর প্রান্তে থাকা দিলীপবাবু।

Loading...

শনিবার অবশ্য টক টু মেয়রে কলকাতার সমস্যার পাশাপাশি ফোন আসে খড়্গপুর, নাকাশিপাডা ও হরিপাল থেকেও। মেয়র অবশ্য তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন এটা কলকাতার নাগরিকদের জন্য অনুষ্ঠান সেখানে তাদের সমস্যা শোনা হয়। তবে প্রত্যেকের সমস্যা শুনে স্থানীয় বিধায়কদের সাথে যোগাযোগ করে দেন তিনি। টক টু মেয়রের মতো রাজ্যের অন্যান্য পুরসভাতেও তাই টক টু মেয়র বা চেয়ারম্যান অচিরেই চালু হতে পারে। বিশেষ করে পুরসভার ভোটের কয়েকমাস আগে তা চালু হলে সাধারণের বুঝতে সুবিধা হবে বলেই অনেকে মনে করেন। তবে পুরমন্ত্রী এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

First published: 07:20:27 PM Nov 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर