• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • সিঙ্গুরের জমিতে ফের শিল্পের সম্ভাবনা, আশা জাগাল সরকারি নির্দেশ

সিঙ্গুরের জমিতে ফের শিল্পের সম্ভাবনা, আশা জাগাল সরকারি নির্দেশ

সিঙ্গুরের জমিতে শিল্পের সম্ভাবনা নতুন করে উসকে দিল নবান্নের নতুন নির্দেশ ৷ বুধবার আচমকাই প্রকল্প এলাকায় বন্ধ বিদ্যুতের সাবস্টেশন খোলার কাজ স্থগিত রাখার সরকারি নির্দেশ জারি করা হল ৷

সিঙ্গুরের জমিতে শিল্পের সম্ভাবনা নতুন করে উসকে দিল নবান্নের নতুন নির্দেশ ৷ বুধবার আচমকাই প্রকল্প এলাকায় বন্ধ বিদ্যুতের সাবস্টেশন খোলার কাজ স্থগিত রাখার সরকারি নির্দেশ জারি করা হল ৷

সিঙ্গুরের জমিতে শিল্পের সম্ভাবনা নতুন করে উসকে দিল নবান্নের নতুন নির্দেশ ৷ বুধবার আচমকাই প্রকল্প এলাকায় বন্ধ বিদ্যুতের সাবস্টেশন খোলার কাজ স্থগিত রাখার সরকারি নির্দেশ জারি করা হল ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: সিঙ্গুরের জমিতে শিল্পের সম্ভাবনা নতুন করে উসকে দিল নবান্নের নতুন নির্দেশ ৷ বুধবার আচমকাই প্রকল্প এলাকায় বন্ধ বিদ্যুতের সাবস্টেশন খোলার কাজ স্থগিত রাখার সরকারি নির্দেশ জারি করা হল ৷ এই নির্দেশের পরই নতুন করে জল্পনা তৈরি হয় যে সিঙ্গুরে শিল্প সম্ভাবনার দিকে তাকিয়েই কি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল ?

    ৩১ অগাস্ট চাষীদের অধিগৃহীত জমি ফেরত দেওয়ার সুপ্রিম নির্দেশ আসার পর থেকেই সিঙ্গুরে শুরু হয় জমি ফেরত দেওয়ার তোড়জোড় ৷ কিন্তু জমি ফেরতের নির্দেশ আসার পর থেকেই ইচ্ছুক চাষীদের একাংশ চাইছেন সিঙ্গুরের জমিতে শিল্প হোক ৷ তাদের বক্তব্য, তারা বরাবরই সিঙ্গুরে শিল্প তৈরির পক্ষেই ছিলেন ৷ এখন কোর্টের নির্দেশে জমি ফেরত পাওয়া গেলেও সে জমি চাষের অযোগ্য ৷ তাই এই জমি সরকারকেই আবার শিল্পের জন্য বিক্রি করে দিতে চান ইচ্ছুক জমি মালিকরা ৷

    এই নিয়েই দ্বিধা বিভক্ত সিঙ্গুর ৷ চাষীদের মধ্যে এই মতানৈক্য নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না করে তার জন্য সিঙ্গুরের কৃষকদের মত নিতে পারে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, সিঙ্গুরের জমিতে কৃষি না শিল্প? তা নিয়ে ১৪ তারিখের প্রশাসনিক সভাতেই এই মত নিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এরইমধ্যে জমির নথি জমা দেওয়া নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হয়েছে সিঙ্গুরে। বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে সিঙ্গুর যাবেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৷

    টাটা প্রকল্পের সামনে শানাপাড়ার কাছে ১০০ মেগাওয়াটের সাব স্টেশন আছে। টাটা প্রকল্প এলাকা ও পাশের গ্রামে বিদ্যুৎ যায়। অধিগৃহীত জমির মধ্যেই। ৩ সেপ্টেম্বর সেই সাব স্টেশন খোলার কাজ শুরু হয়। আজ থেকে এই কাজ বন্ধ। বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে খবর, ১৪ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী যখন আসবেন তিনি সিঙ্গুরে জনমত নিতে পারেন। সেই জনমত নেওয়ার ক্ষেত্রে যদিও কোনওভাবে শিল্পের পক্ষে পাল্লা ভারী হয় বা যদি কোনও শিল্প সংস্থা শিল্প গড়তে ইচ্ছুক হন। তাহলে নতুন করে সাব স্টেশন তৈরি করতে হবে।

    সেই সঙ্গে আরেকটি অংশের বক্তব্য, এই সাব স্টেশন বিদ্যুৎ আশপাশের গ্রামে সরবরাহ করা হয় ফলে তাদের বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি না করে এই সাবস্টেশন সরানো যাবে না। এদিনও ইচ্ছুক চাষিরা শিল্পের পক্ষে সওয়াল করছেন। শিল্পের পক্ষেই জোর বেশি। তাই সেই সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেননি পূর্ণেন্দু বসু।

    আরও পড়ুন

    সিঙ্গুরে এখন অনিচ্ছুকদের মুখে ভিন্ন সুর, জমি নয় শিল্প চাই

    বুধবার হুগলি জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, সিঙ্গুরে ৩০০ একর জমি পরিষ্কারের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ ৷ ১৫০ একর জমি প্লটিংয়ের কাজও সমাপ্ত ৷ জমি চিহ্নিতকরণের জন্য আল কাটা হয়েছে ৷ জমির তথ্য পুনরুত্থানের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ই-ভূচিত্র সফটওয়্যার ৷ এর জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ সেল ৷ ২০০৬-এর ম্যাপ দেখে চলছে কাজ ৷ বুধবার থেকে আবার বিডিও অফিসে অনিচ্ছুক কৃষকদের জন্য ক্যাম্প চালু হল ৷

    শীর্ষ আদালত জমি ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে। কৃষকদের ক্ষতিপূরণেরও নির্দেশ দিয়েছে। শুরু হয়েছে জমি জরিপের কাজ। কিন্তু কৃষি না শিল্প। কী হবে ভবিষ্যতের সিঙ্গুরে? কৃষকদের থেকে মতামত চাইতে পারে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, ১৪ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক সভাতেই কৃষকদের থেকে সরাসরি মতামত জানতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এরই মধ্যে নতুন করে অশান্তির মেঘ জমছে সিঙ্গুরে।

    আরও পড়ুন

    ফেরত পেয়ে জমি বেচতে চান ইচ্ছুক কৃষকরা, পিছনে লুকিয়ে কোন কারণ!

    মঙ্গলবারই, বিধায়ক তথা কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচর্যের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ তুলে প্রকল্প এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন অনিচ্ছুক কৃষক গোপাল দাস। ২০০৬ সালে সিঙ্গুর ইস্যুতে গোপাল দাসই প্রথম মামলা করেছিলেন।

    মঙ্গলবার, সিঙ্গুরের কাজ পরিদর্শনে যান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানানোই উদ্দেশ্য ছিল গোপালের। কিন্তু, শেষপর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি। যদিও, এমন পরিস্থিতি দ্রুত কেটে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    First published: