corona virus btn
corona virus btn
Loading

মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্বের বিধি ! কঠোর হচ্ছে বাজার কমিটিগুলি

মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্বের বিধি ! কঠোর হচ্ছে বাজার কমিটিগুলি
Representational Image

কোথাও মুখ্যমন্ত্রীর দেখিয়ে দেওয়া গোল চিহ্ন, আবার কোথাও বাজার কমিটি গুলো ঠিক করছে নিজস্ব পদ্ধতি।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় কলকাতার বাজার গুলোতেই সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার অভিযোগ উঠছে বারবার। তবে অনেক বাজারই নিজেদের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এই নিয়ে। কোথাও মুখ্যমন্ত্রীর দেখিয়ে দেওয়া গোল চিহ্ন, আবার কোথাও বাজার কমিটি গুলো ঠিক করছে নিজস্ব পদ্ধতি।

দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। সরকারের এতো বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। তবুও তার মাঝেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের  জন্য খোলা রয়েছে শাকসবজি, মাছ মাংসের বাজার। কিন্তু বিভিন্ন মহল থেকে বারবার অভিযোগ উঠছে, বাজার গুলিতে কোনও ভাবেই সামাজিক দূরত্বের বিধি মানা হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বাজারে ঘুরে কিভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে তা দেখিয়ে দেন। তার দেখানো পথে নির্দিষ্ট দূরত্ব চুন দিয়ে গোল করা জায়গায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে কেনাকাটা করছেন অনেকেই।

শহরের অনেক বাজারে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। আবার অনেক বাজারে হচ্ছেও না। যেমন, হাতিবাগান বাজার। এই বাজারে ব্যবসায়ী সমিতির অভিযোগ, ক্রেতারা নিয়ম মানছেন না। নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ক্রেতাদের বাজারে ঢোকার সংখ্যাও। তাই ব্যবসায়ীরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়েছেন এই বিষয়ে। হাতিবাগান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সাধন সরকার বলেন, ‘‘ আমরা লক্ষ্য করে দেখেছি বাজারের মধ্যে কয়েকটি দোকানে ভিড় সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। সেই দোকানগুলোর মালিকদের বলেছি বাইরে লাইন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করতে। তা না পারলে অন্য রকম ব্যবস্থা নিতে হবে ব্যবসায়ী সমিতিকে।’’

তবে শহরের অন্যান্য অনেক বাজারের চিত্রটা এমন নয়। এন্টালী বাজারের পক্ষ থেকে তারকনাথ ত্রিবেদী বলেন, '‘ আমরা দুটো গেট খোলা রাখছি। প্রত্যেক ক্রেতাকে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে বাজারে ঢুকতে হচ্ছে। সমস্ত ব্যবসায়ীকে আমরা মাস্ক দিয়েছি এবং সেগুলো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করেছে। কোনও ক্রেতা যদি সামাজিক দূরত্ব না মানছেন তাহলে তাদেরকে কোনও মাল দেওয়া হচ্ছে না।’'

ভবানীপুরের যদু বাবু বাজারেও একই একটি পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। সেখানকার যুগ্ম সম্পাদক  ভানু বিশ্বাস বলেন, '‘ কোনও ক্রেতা যদি নিয়ম না মানে তাহলে তাকে বলা হচ্ছে আপনি বাজারের লিস্ট দিয়ে চলে যান। আপনার বাড়িতে সবকিছু পৌঁছে যাবে।' তবে গড়িয়াহাট বাজারের দৃশ্যটা একটু অন্যরকম। এই বাজারের সম্পাদক দেবরাজ ঘোষ বলেন, 'আমাদের এখানে ক্রেতারা অনেক বেশি সচেতন।' তবে সব বাজার লকডাউনের প্রথম দুদিনের তুলনায় এখন ভিড় অনেক কম।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: April 1, 2020, 9:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर