সিঁথিতে শ্লীলতাহানির মিথ্যে অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের

সিঁথিতে শ্লীলতাহানির মিথ্যে অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে  মৃত্যু হয় অভিযুক্তের

সিঁথির স্নেহময় দে'র মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ যে সঠিক কাজ করেনি, অবশেষে তার প্রমাণ মিলল।

  • Share this:

#কলকাতা: সিঁথির স্নেহময় দে'র মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ যে সঠিক কাজ করেনি, অবশেষে তার প্রমাণ মিলল। প্রৌঢ়কে যে অভিযোগে থানায় তলব করা হয়েছিল, তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সে কারণে অভিযোগকারী মনিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেরা চলাকালীন বছর বাষট্টির স্নেহময় দে'র মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে।

প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল। থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হন অভিযুক্ত। হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। তদন্তে নেমে অবশেষে অভিযোগকারিণীকেই গ্রেফতার করল পুলিশ। সিঁথির স্নেহময় দে'র বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির তদন্তে পুলিশের ভূমিকা যে ঠিক ছিল না, এই ঘটনা তারই প্রমাণ।

- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

দমদমের কালীচরণ শেঠ লেনের বাসিন্দা স্নেহময় দে'র বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন মনিকা নামে এক মহিলা। তদন্তে নেমে স্নেহময়বাবুকে ডেকে পাঠায় সিঁথি থানার পুলিশ। থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীনই হদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। সেই ঘটনায় সোমবার দমদম থেকে মনিকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনাতেই প্রমাণ হল,  শ্লীলতাহানির অভিযোগটি ভুয়ো ছিল ৷ তদন্তে অতিসক্রিয় ভূমিকা ছিল পুলিশের ৷

একইসঙ্গে সিঁথির ঘটনায় বেশকিছু প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

- প্রাথমিক খোঁজখবর না করেই কেন প্রৌঢ়কে থানায় তলব করা হয়?

- কী এমন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল যাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন স্নেহময় দে?

- থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের জেরে প্রৌঢ়ের সামাজিক সম্মানহানির দায় কি পুলিশের নয়?

- পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুতে কেন ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের হয়নি?

- পরিবারের অভিযোগ কেন নেওয়া হয়নি?

ভাইদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা বলে অভিযোগ। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, স্নেহময়বাবুর ভাইয়েরাই কি মনিকাকে দিয়ে ভুয়ো অভিযোগ দায়ের করেছিলেন? তাই মনিকার পাশাপাশি প্রৌঢ়ের ভাইদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা উচিত পুলিশের।

First published: 08:55:38 AM Mar 14, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर