কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্ত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ! সাত বছরের মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী বাবা 

স্ত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ! সাত বছরের মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী বাবা 
প্রতীকী চিত্র

সোমবার সকালে অভিজিৎবাবুর দাদা মোবাইল অন করতেই ভাইয়ের নাম্বার থেকে আসা একটি অডিও বার্তাই ঘটনার জানান দেয়|

  • Share this:

#হাওড়া: একটি মাত্র মেয়ে, বয়স মাত্র সাত বছর। অনেক স্বপ্ন ছিল মেধাবী মেয়েকে নিয়ে, আর নিজের হাতেই সেই স্বপ্নকে শ্বাসরোধ করে থামালেন, নিজেকেও শেষ করলেন এক বাবা | বন্ধ ঘরে এই মর্মান্তিক ঘটনা কখন  ঘটিয়ে ফেলেছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী অভিজিৎ রায়, তা কেউ বুঝতে পারেননি | সোমবার সকালে অভিজিৎবাবুর দাদা মোবাইল অন করতেই ভাইয়ের নাম্বার থেকে আসা একটি অডিও বার্তাই ঘটনার জানান দেয়|

সঙ্গে সঙ্গে বারবার অভিজিৎ বাবুকে ফোন করলেও ফোন না ধরায়, প্রতিবেশী কে ফোন করে ভাইয়ের খোঁজ নিতে বলেন তিনি, প্রতিবেশীরাও বার বার দরজা ধাক্কা দিলেও কোন সাড়া না পেয়ে খবর দেন পুলিশকে| মালিপাঁচঘড়া থানার পুলিশ এসে সালকিয়া শোভন চৌধুরী লেনের বাড়ি থেকে বছরের কন্যা প্রীতি রায়ের দেহ উদ্ধার করে বিছানা থেকে। পাশের ঘরেই ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় পিত অভিজিৎ চৌধুরীর দেহ |

অভিজিৎবাবুর ভাই ও বৌদির অভিযোগ অভিজিৎ ববুর স্ত্রী ও শ্বশুর দিনের পর দিন বিভিন্ন ভাবে মানসিক ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন  করতেন| নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতো না ছোট্ট প্রীতিও | অভিযোগ, অভিজিৎ বাবুর স্ত্রী বেশির ভাগ সময় ঘটালে বাপের বাড়িতেই থাকতেন | অভিজিৎ বাবুর আদি বাড়িও সেখানে| ব্যবসার জন্য অভিজিৎবাবু হাওড়াতেই থাকতেন | পরিবার নিয়ে হাওড়ার সালকিয়াতে থাকলেও বেশ কয়েক বছর ধরে অভিজিৎবাবুর স্ত্রী এখান থেকে চলে যেতে চান, সেই শর্তে রাজি না হওয়ায় শুরু হয় নির্যাতন।

তিনি বধূ নির্যাতন মামলায়  অভিজিৎবাবুকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন বলে জানা গেছে | স্ত্রী ও শ্বশুরের হাত থেকে বাঁচতে এই পথ বেছে নিয়েছেন অভিজিৎবাবু, আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলা রুজু করেছেন অভিজিৎবাবুর দাদা| অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক | প্রয়োজনে অভিজিৎ বাবুর স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হবে | পুলিশ সূত্রে খবর অভিজিৎ বাবু প্রথমে নিজের মেয়েকে ঘুমের মধ্যে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে তারপর নিজে গলায় দড়ি লাগিয়ে আত্মঘাতী হন |

Published by: Arka Deb
First published: October 13, 2020, 8:43 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर