মমতার চিঠি পেয়ে সন্তষ্ট, ট্যুইটে জানালেন রাজ্যপাল

মমতার চিঠি পেয়ে সন্তষ্ট, ট্যুইটে জানালেন রাজ্যপাল

১৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল । চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি। চিঠি পাওয়ার ১ দিনের মধ্যেই সেই চিঠির উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • Share this:

Somraj Bandyopadhyay

#কলকাতা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল। ১৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল । চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি। চিঠি পাওয়ার ১ দিনের মধ্যেই সেই চিঠির উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দিলেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নিয়ে আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যাবেন কথা বলতে। তিনি তার সময় মতই চলে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির উত্তরে সন্তুষ্ট হয়ে শনিবার ট্যুইট করেন রাজ্যপাল। ট্যুইটে তিনি জানান শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছি। গণতন্ত্রে এভাবেই পথ চলা দরকার।

গত মঙ্গলবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে শিক্ষা কর্মীদের একাংশের বাধায় ঢুকতে পারেননি রাজ্যপাল। শুধু তাই নয়, সমাবর্তন উপলক্ষে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বৈঠকেও ঢুকতে পারেননি রাজ্যপাল। বিশ্ববিদ্যালয়় ঢোকার মুখে পড়ুয়াদের বাধার মুখেও পড়েছিলেন তিনি। তা নিয়ে নিজের ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার যাদবপুরের সমাবর্তনে ঢুকতে না পারায় তাকে ছাড়ায় উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বেই সমাবর্তন শুরু হয়। রাজভবনে ফিরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সামগ্রিক ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল।

মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ১৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বানও জানান তিনি। শুধু তাই নয়, আগামী ১৩ ই জানুয়ারি রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠকও ডেকেছেন রাজ্যপাল। এমত অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর তরফে চিঠির উত্তর পাওয়ায় সন্তুষ্ট রাজ্যপাল। শনিবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো চিঠি উল্লেখ করেই ট্যুইট করেন তিনি। ট্যুইট করে তিনি বলেন "মুখ্যমন্ত্রীকে আমি চিঠি পাঠিয়েছিলাম ২৫ শে ডিসেম্বর। মুখ্যমন্ত্রী আমার পাঠানো চিঠির উত্তর দিয়েছেন ২৬ শে ডিসেম্বর। শিক্ষামন্ত্রী সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আসবেন। আমি সেই আলোচনার দিকে তাকিয়ে রয়েছি। গণতন্ত্রে সবারই উচিত একসঙ্গে পথ চলা।"

ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর আচার্যের ক্ষমতা নিয়ে নয়া বিধি জারি করেছে উচ্চ শিক্ষা দফতর। বিধিতে আচার্যের ক্ষমতার বিলোপ ঘটানো হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। ইতিমধ্যেই এই বিধি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল রাজ্যপাল। শিক্ষামন্ত্রী আলোচনায়় গেলে বিধির প্রসঙ্গও উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

First published: 12:52:34 PM Dec 28, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर