পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এক তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী তৃণমূল

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এক তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী তৃণমূল

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ফের জটিলতা ৷ আবারও আইনি জটে অনিশ্চয়তায় মুখে পড়েছে এরাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৷

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ফের জটিলতা ৷ আবারও আইনি জটে অনিশ্চয়তায় মুখে পড়েছে এরাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ফের জটিলতা ৷ আবারও আইনি জটে অনিশ্চয়তায় মুখে পড়েছে এরাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৷ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে ১৪ মে ভোট হওয়া নিয়ে ফের বাড়ল জটিলতা ৷ তবে এরই মাঝে পরিসংখ্যান বলছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এক তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ৷

    আরও পড়ুন 
    ১৪ মে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে অনিশ্চয়তা, এবার নির্বাচনের দিন চূড়ান্ত করবে কলকাতা হাইকোর্ট

    রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪৮ হাজার ৬৫০টি আসন, পঞ্চায়েত সমিতির ৩ হাজার ৫৯টি আসন এবং জেলা পরিষদের ৮২৫টি আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস জেলা পরিষদের ২০০টি আসন, পঞ্চায়েত সমিতির ৩৩০টি আসন এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ হাজার ১০ টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করে নিয়েছে।

    panchayet table_jela_parishad_final

    তবে তৃণমূলের ক্ষেত্রে এ ধরণের জয় প্রথম নয়, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে, ভোটপর্বের আগেই ১০ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস ৷

    আবার, ২০০৩ সালে বাম সরকারের সময়, ১১ শতাংশ আসনে ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগেই জয়ী হয়েছিল ৷

    table_gram panchayet_final

    অন্যদিকে, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের জটিলতা। আবারও আইনি জটে অনিশ্চিত পঞ্চায়েতের ভবিষ্যত। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে ১৪ মে ভোট হওয়া নিয়ে ফের তৈরি হল অনিশ্চয়তা। ভোটের দিন নিয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ভোটের তারিখ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে ৪ মে । ওই দিনই ডিভিশন বেঞ্চে পঞ্চায়েত নিয়ে এই মামলার শুনানি।

    table_samiti_final

    পঞ্চায়েত নির্বাচন মামলায় গুরুত্বপূর্ণ মোড়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করেই ভোটের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন, এই অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় বাম, কংগ্রেস ও পিডিএস। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা সমর্থনযোগ্য নয়। এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের সিঙ্গল বেঞ্চ ভোট নিয়ে সিদ্ধান্ত ছেড়েছেন ডিভিশন বেঞ্চের হাতে। ৪ মে ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রশ্নের উত্তরে ডিভিশন বেঞ্চ যদি সন্তুষ্ট না হন এবং যদি আদালত মনে করে যথেষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি, তবে বাতিল হয়ে যেতে পারে ১৪ মে ভোটের প্রস্তাব।

    ভোটের জন্য কমিশন ঘোষিত দিনে যদি নির্বাচন বাতিল করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ, সেক্ষেত্রে আদালতই ঠিক করবে কবে হবে নির্বাচন। এদিন সিঙ্গল বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে যা জানিয়েছে, তাতে ১৪ মে-কে প্রস্তাবিত ভোটের দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশে ফের নির্বাচনের তারিখ নিয়ে তৈরি হল অনিশ্চয়তা।

    আরও একবার আদালতে ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তার বিস্তারিত ব্যবস্থার রিপোর্ট চার তারিখ ডিভিশন বেঞ্চে পেশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। তার উপরেই নির্ভর করছে আদালতের বাকি সিদ্ধান্ত। অতএব পঞ্চায়েত ভোটের ভবিষ্যত আরও একবার আইনি জটে। উল্লেখ্য, ভোট প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর গোটা দেশে এই প্রথমবার একের বেশি সময় কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করল হাইকোর্ট।

    First published: