• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • MAMATA BANERJEE SAID SOME POLITICAL LEADERS WANTS TO STOP UPPER PRIMARY TEACHERS RECRUITMENT THROUGH PIL FILE SB

Mamata on Upper Primary Teacher Recruitment: চাকরি দিতে গেলেই মামলা! শিক্ষক নিয়োগ রুখতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর

কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

Mamata on Upper Primary Teacher Recruitment: উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রীতিমতো গর্জে উঠে বলেন, 'কারা করছে এইসব কেস? আদালত নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। কিন্তু কেসগুলো করছে কারা? কিছু রাজনৈতিক নেতা এগুলো করছে। হিংসুটে, জেলাস মানুষ। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। '

  • Share this:

#কলকাতা: আশঙ্কা মতোই উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতিতে আপত্তি তুলে যে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে, তার প্রেক্ষিতে ওই নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই বিষয়ে এবার মামলাকারীদের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোভিড একটু থিতু হতে পুজোর আগেই প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক মিলিয়ে ৩২০০০-এর বেশি পদে নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সূত্রেই পুজোর আগেই উচ্চ প্রাথমিকের ১৪৩৩৯ পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতেই হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। তার প্রেক্ষিতেই এদিন স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'চাকরি পাবে ৩৫ হাজার ছেলেমেয়ে, তাঁদের জন্য সব রেডি করা হচ্ছে, কিন্তু যখন‌ই ছাত্র ছাত্রীদের চাকরির বিষয় হচ্ছে, তখনই কোর্টে কেস করে দেওয়া হচ্ছে। সাত বছর ধরে এই কেস হাইকোর্টে পরে ছিল। কোর্টই তো ক্লিয়ার করেছিল। তারপর আবার মামলা।'

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী রীতিমতো গর্জে উঠে বলেন, 'কারা করছে এইসব কেস? আদালত নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। কিন্তু কেসগুলো করছে কারা? কিছু রাজনৈতিক নেতা এগুলো করছে। হিংসুটে, জেলাস মানুষ। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। '

উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্টে। উচ্চ প্রাথমিকের ১৪৩৩৯ পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সেই ইন্টারভিউ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে হাইকোর্টে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়ম ভেঙে প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারভিউ তালিকা, আদালতের কাছে অভিযোগ করেছিলেন মামলাকীর পরীক্ষার্থীরা। এরই প্রেক্ষিতে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করেছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি ৯ জুলাই।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশিত হতেই মামলাকারীদের তরফে অভিযোগ করা হয়, ইন্টারভিউয়ের যে তালিকা তৈরি হয়েছে, তাতে চূড়ান্ত বেনিয়ম হয়েছে। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হচ্ছে, তারও কোন উল্লেখ নেই সাইটে। তাঁদের অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী এই নিয়োগ করা হচ্ছে না। অনেক পরীক্ষার্থীই বেশি নম্বর পেয়েও ইন্টারভিউতে ডাক পাননি। এইসব নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতেই আপাতত শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু মামলাকারীদের সেই সব দাবি কার্যত নস্যাৎ করে দিয়ে এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র খুঁজে পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Published by:Suman Biswas
First published: