মোদির বাংলা সফরের দিনেই ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং 'দিদি', নেপথ্যে জয় শ্রীরাম

মোদির বাংলা সফরের দিনেই ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং 'দিদি', নেপথ্যে জয় শ্রীরাম
ভিক্টোরিয়ার মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মোদির বাংলা সফরের দিনেই ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং 'দিদি'। নেপথ্যে একদল মানুষের তোলা জয় শ্রীরাম ধ্বনি।

  • Share this:

    কলকাতা: সকাল থেকেই ট্যুইটারে যুদ্ধটা চলছিল। পরাক্রম দিবস বনাম দেশনায়ক দিবস, খণ্ডযুদ্ধের সুরটা ছিল এমনই। বেলা গড়াতে অন্য দিকে মোড় নিল নেতাজির জন্মজয়ন্তীর। রাজনীতির রঙ লাগলই। মোদির বাংলা সফরের দিনেই ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং 'দিদি'। নেপথ্যে একদল মানুষের তোলা জয় শ্রীরাম ধ্বনি।

    এ দিন নেতাজি জন্মজয়ন্তীর কারণে গোটা দেশের নজর ছিল বাংলার দিকেই। সকালে নেতাজি ভবনে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করার পর শ্যামবাজার থেকে রেডরোড পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য মিছিল করেন মমতা। নেতাজিকে সামনে রেখে দিল্লিকেন্দ্রিকতার বিরুদ্ধে স্বর তুলেছিলেন মমতা। এদিকে পূর্বনির্ধারিত না হলেও কলকাতায় নেমে নেতাজিভবন যান মোদিও।নেতাজি ভবন মোদিকে সাদর অভ্যর্থনা জানালেনও রাজনীতি এড়াতেই আমন্ত্রণ জানায়নি কৈলাস বিজয়বর্গীয়, স্বপন দাশগুপ্তদের। মোদি নেতাজি ভবন থেকে বেরোতেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শোনা যায় একদল ভক্তকে।


    সেই স্লোগানই ফের ঘুরে আসে ভিক্টোরিয়ায়। মমতা মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখতে যাবেন, এমন সময়েই দর্শকাসন থেকে একদল জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে ওঠেন। অতীতে কনভয়েতে এই ধ্বনি ওঠায় মমতা মেজাজ হারিয়েছিলেন।

    এবার মমতা মেজাজ হারালেন না। কাটা কাটা বাক্যে অস্ত্র শানালেন। বললেন, "সরকারি অনুষ্ঠানের একটা শালীনতা থাকা উচিৎ। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান নয়। এটা সকল মানুষের, সব রাজনৈতিক দলের সকলের অনুষ্ঠান। আমি প্রধানমন্ত্রীজি এবং সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে কৃতজ্ঞ অনুষ্ঠানটি কলকাতায় আয়োজন করার জন্য। কিন্তু কাউকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে তারপর অপমান করা উচিৎ নয়। এর প্রতিবাদে আমি আর কোনও কিছু এখানে বলব না। জয় হিন্দ, জয় বাংলা।''

    অচিরেই ভাইরাল হয় মমতার এই বক্তব্য। সর্বভারতীয় সংবাদ শিরোনামও হয় মমতার প্রতিবাদের ধরন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জয় শ্রীরাম ধ্বনির পরিবর্তে নেতাজির জন্মদিনে জয় হিন্দ ধ্বনি তোলাটা মমতার রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। হাজার শব্দের তুলনায় প্রায় কিছু না বলাটা অনেক  বেশি ডিভিডেন্ট দেবে তাঁকে, মত পর্যবেক্ষকদের।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর