Mamata Banerjee on Cyclone Yaas: আজ রাতেই ফের বড় বানের আশঙ্কা, 'ইয়াস' বিধ্বস্ত বাংলাকে সতর্ক করলেন মমতা

'ইয়াস' বিধ্বস্ত বাংলাকে সতর্ক করলেন মমতা।

আগামিকাল ভরা কোটালে জল বাড়তে পারে কলকাতার কালীঘাট, রাসবিহারী, চেতলা, দীঘা-সহ মন্দারমনি, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বসিরহাট সাব ডিভিশনে।

  • Share this:

    #কলকাতাঃ ঘূর্ণিঝড় ইয়াস তাণ্ডব চালানর পরেও শান্ত হয়নি প্রকৃতি। এ বার রাজ্যে নদী তীরবর্তী এলাকায় ভরা কোটালে প্লাবনের আশঙ্কা। কিছুক্ষণ আগে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘বুধবার রাত ৮:৩৫ মিনিটে উপকূল এলাকায় ফের প্লাবন আসতে পারে। ত্রাণ শিবিরে যাঁরা আছেন, অনুরোধ তাঁরা এখনই বাড়ি ফিরবেন না।’’ তিনি আরও বলেন, "বৃহস্পতিবারও ভরা জোয়ারে আরও বড় বান আসতে পারে। আগামিকালও বৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তবে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। নদীর পাশে যারা থাকেন তাঁরা সতর্ক হোন। ৫ ফুট পর্যন্ত জল বাড়তে পারে আগামিকালও। কেউ জলে নামবেন না।"

    বান এলে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কেউ মারা না যান। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামিকাল ভরা কোটালে জল বাড়বে কলকাতার কালীঘাট, রাসবিহারী, চেতলা, দীঘা-সহ মন্দারমনি, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বসিরহাট সাব ডিভিশনে। ফলে এলাকার মানুশকে অতি সাবধানে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইয়াস-এ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন রাজ্যের ১ কোটি মানুষ। ১৫ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। রাজ্যে ১৩৪টি নদী বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়-বৃষ্টিতে। ৩ লক্ষের বেশি বাড়ি ড্যামেজ হয়েছে। গবাদি পশু, মাছেরও ক্ষতি হবে। ক্ষতির পরিমাণএখনও পর্যন্ত বঝা যাচ্ছে না। ধীরে ধীরে সবটা বোঝা যাবে। মমতা জানিয়েছেন, সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, গেসাবা, কুলপি, বাসন্তী, দিঘা, শঙ্করপুর, কন্টাই ১ এবং ২, নন্দীগ্রাম ১ এবং ২, শ্যামপুর ১ এবং ২, শাকরাইল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কৃষিক্ষেতে নোনা জল ঢুকে বিরাট ক্ষতি।
    মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বৃহস্পতিবারই পরিদর্শনে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সেই দুর্যোগ কাটলে শুক্রবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলি পরিদর্শনে যাবেন। পাশাপাশি, সাইক্লোন এবং টর্নেডো-তে মোট যে তিনজন এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন তাঁদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন।
    Published by:Shubhagata Dey
    First published: