Mamata Banerjee: পাঁচ দফাতেই বুঝিয়ে দিচ্ছে মানুষ, দুই তৃতীয়াংশ আসন দেখছেন মমতা

Mamata Banerjee: পাঁচ দফাতেই বুঝিয়ে দিচ্ছে মানুষ, দুই তৃতীয়াংশ আসন দেখছেন মমতা

নিউজ ১৮ বাংলার সাক্ষাৎকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

চোখে মুখে ধরা পড়ল না এতটুকুও সংশয়। অন্য দিকে বিজেপির জন্য রইল সত্তরের গণ্ডী পার করার চ্যালেঞ্জ।

  • Share this:

    #কলকাতা: দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে তৃতীয় বারের জন্য সরকার গড়তে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, আরও একবার এমন আপ্তবাক্যই শোনালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চোখে মুখে ধরা পড়ল না এতটুকুও সংশয়।  অন্য দিকে বিজেপির জন্য রইল সত্তরের গণ্ডী পার করার চ্যালেঞ্জ।

    প্রসঙ্গত আজই শহরে পা রেখে অমিত শাহ (Amit Shah) বলে গিয়েছেন ১২২ টি আসন পাবেন এই পাঁচ দফায়, তা তিনি নিশ্চিত।সেক্ষেত্রে মমতা  কী করে নিজের জয় সম্পর্তে এতটা নিশ্চিত হচ্ছেন! তৃণমূল নেত্রীর কথায়, "আমি যতটুকু বুঝতে পেরছি মানুষ আমাদের সঙ্গে আছে।আমি অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদির মতো অবিবেচক লোক নই যে বলব ১৩৫টা পেয়ে গেছি। যেন মেশিনের ভিতর ঢুকে গিয়েছিল। ৭০ টা পেয়ে দেখাক।"

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুত্ব দিচ্ছেন মানুষের পালসকে, যেভাবে রাজনীতিটা তিনি বরাবর করেন। সেই রাজনীতির জোরে অনেক আগেই ক্ষমতায় আসতে পারতেন প্রযুক্তি সহায়ক হলে, আজ এমন কথাও শোনা গেল মমতার মুখে। কটাক্ষ করলেন সাইন্টিফিক রিগিং-কেও। মমতা বলেন, আমি মানুষের সঙ্গে মিশি দীর্ঘদিন ধরে। আমি দীর্ঘদিন রাজনীতি করছি। এত ফাইট করতে হয়েছে কারণ তখন এত সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ছিল না। এত টেলিভিশন চ্যালেঞ্জ ছিল না। হয়তো ২০০১ সালেই পরিবর্তন হতো। বামেরা রিগিং করে ইলেকশান করেছে।" সেই ক্ষমতা এসেছে ২০১১ -তে। আর তা নিয়েই হ্যাট্রিক করতে চাইছেন মমতা। যদিও পরিস্থিতি প্রতিকূল তাও অস্বীকার করছেন না। মমতার অভিযোগ, দিল্লির কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি বিজপির হাত শক্ত করছে।

    এদিন আসনের হিসেবনিকেশ নিয়েও মুখ খুলতে শোনা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন,  কংগ্রেস ও সিপিএম-এর কিছু আসন বিজেপি পাবে। আবার বিজেপির বেশ কিছু আসন আমরা পাব।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মালদহ, মুর্শিদাবাদ জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত, লোকসভায় ভরাডুবি হওয়া গোটা উত্তরঙ্গ এবং জঙ্গলমহল থেকেই ডিভিডেন্টের গন্ধ পাচ্ছে তৃণমূল। কোন সূত্রে?  মমতাই বললেন, "৫ দফায় বুঝেছি মানুষ আমাদের পক্ষে রয়েছে।"

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর