• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • সোমবার থেকে জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সোমবার থেকে জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপি-র তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের এক নেতা নিজে থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, কীভাবে কাজ করলে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত করা যায় সেসম্পর্কে তাঁদের দিশা দেখাতে৷ রাজ্য সচিবালয়ে বসে একটি বৈঠকে একজন সরকারি কর্মী কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে চিঠিতে৷ বিজেপি-র তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারি কর্মীদের এই বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রী শুধু অনুমোদনই করেননি বরং তিনি বৈঠক পরিচালনাও করেছেন৷ Photo-File

বিজেপি-র তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের এক নেতা নিজে থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, কীভাবে কাজ করলে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত করা যায় সেসম্পর্কে তাঁদের দিশা দেখাতে৷ রাজ্য সচিবালয়ে বসে একটি বৈঠকে একজন সরকারি কর্মী কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে চিঠিতে৷ বিজেপি-র তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারি কর্মীদের এই বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রী শুধু অনুমোদনই করেননি বরং তিনি বৈঠক পরিচালনাও করেছেন৷ Photo-File

বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

  • Share this:

#কলকাতা: আগামিকাল, সোমবার থেকে ফের জেলা সফর শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই জেলা সফরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুই ধরণের সভাই তিনি করবেন। কিছুদিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ বাঁকুড়া সফর করে গেছেন। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

সোমবার দুপুরেই বাঁকুড়া পৌছবেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলায় এসেই খাতড়ায় তিনি একটি প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। পরের দিন মঙ্গলবার তিনি সাধারণ মানুষের হাতে সরকারি পরিষেবা তুলে দেবেন। বুধবার তিনি যোগ দেবেন দলীয় সভায়। বৃহস্পতিবার তাঁর কলকাতায় ফিরে আসার কথা। রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি শ্যামল সাঁতরা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ভাবে আরও গতি আসবে জেলায়। নবান্ন সূত্রে অবশ্য জানানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর এই জঙ্গলমহল সফর আগে ভাগেই নির্ধারিত করা ছিল। ফলে পালটা সভা বা বৈঠকের প্রসঙ্গ উড়িয়ে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

তবে অমিত শাহ বাঁকুড়ায় এসে বৈঠক, আদিবাসী পরিবারে খাওয়া দাওয়া করে যাওয়ার পরে বিজেপি শিবির জঙ্গলমহলে তাদের রাজনৈতিক জয় বলে প্রচার শুরু করেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী তার এই সফরে প্রশাসনিক বৈঠক বাঁকুড়া শহরে সীমাবদ্ধ না রেখে, আদিবাসী অধ্যুষিত খাতড়া এলাকায় করছেন। প্রশাসনিক আধিকারিকদের সামনেই আদিবাসী এলাকা ও জঙ্গলমহল এলাকায় কী কী ধরণের কাজ হয়েছে। রাজ্য সরকার কি কি পরিকল্পনা করছে তা নিয়ে যাবতীয় আলোচনা হবে। তৃণমূল নেতারা অবশ্য বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের জন্যেই কাজ করেন। তাই লোকদেখানো খাওয়া দাওয়া করে বিজেপি যে বার্তা দিতে চাইছে তা সঠিক নয়। রাজনৈতিক ভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল সুপ্রিমোর এই সফর। কারণ, লোকসভা ভোটে বাঁকুড়া জেলার দুই আসনেই হেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মন্ত্রী হেরে গেছেন ভোটের লড়াইয়ে। ফলে ভোটের হাওয়া যখন রাজ্য জুড়ে বইতে শুরু করেছে, তখন মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তাছাড়া জঙ্গলমহলের আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্কের দিকে চেয়ে আছে বিজেপি। তাই জঙ্গলমহলের এক জেলা থেকেই তিনি আগামী বিধানসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দিতে পারেন।

দু'সপ্তাহ আগেই অমিত শাহ বাঁকুড়ায় কর্মীসভা করে তৃণমূল সরকারকে উপড়ে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন। ফলে সেই একই জেলা থেকে সভা করে বিজেপির বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি সুনির্দিষ্ট বার্তা দেন সকলে এখন সে দিকেই চেয়ে। জেলা তৃণমূল সুত্রে খবর,মুখ্যমন্ত্রীর সভায় প্রতি ব্লক থেকেই লোক আসবে। দলীয় কর্মীদের সে ভাবেই প্রচার করতে বলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে যুযুধান দুই পক্ষ যখন একই জায়গা থেকে সভা করছেন। তাতে বিধানসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে এটা বলাই যায়৷

Published by:Ananya Chakraborty
First published: