আমন্ত্রণ করে 'বেইজ্জত', প্রতিবাদে বাম-কংগ্রেসকে পাশে পেলেন মমতা

আমন্ত্রণ করে 'বেইজ্জত', প্রতিবাদে বাম-কংগ্রেসকে পাশে পেলেন মমতা
জয় শ্রীরাম বিতর্কে মমতার পাশে বাম কংগ্রেস।

এ দিনের ঘটনার পরে রাজনৈতিক দূরত্ব থাকলেও এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে পেয়ে গেলেন বাম-কংগ্রেস নেতাদের।

  • Share this:

    #কলকাতা: পবিত্র দিনটা আর ততটা পবিত্র রইল না। কালির ছিটে পড়ল। নেপথ্যে বিজেপি কর্মীদের অবিমৃশ্যকারিতা। ভিকটোরিয়ায় নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালনের অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতে উঠতেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দিলেন গুটিকয়েক বিজেপি কর্মী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যুত্তরে অনুষ্ঠানে বক্তব্য না রাখার সিদ্ধান্ত নেন। শুধু বলেন, জয় হিন্দ (একদা নেতাজির তোলা স্লোগান), জয় বাংলা। এ দিনের ঘটনার পরে রাজনৈতিক দূরত্ব থাকলেও এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে পেয়ে গেলেন বাম-কংগ্রেস নেতাদের। যদিও বিজেপির বেশির ভাগ নেতাই এই ঘটনা হীনতা বলে মনে করছেন না।

    দেখে নেওয়া যাক রাজনীতির বাদী-বিবাদী পক্ষগুলি এই ঘটনায় কী বলছে-

     মহম্মদ সেলিম: সরকারি খরচায় বিজেপি জনসংযোগ করছে। সরকারি কর্মসূচিকে দলীয় কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করা উচিত নয়।


    প্রদীপ ভট্টাচার্য: এই ধরনের সরকারি অনুষ্ঠানে ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া উচিত নয়। একটা অনুষ্ঠানের নীতিলঙ্ঘন।

    অধীর চৌধুরী: সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই রয়েছে। তবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।

    সৌগত রায়:  এই ঘটনায় আমরা লজ্জিত। প্রধানমন্ত্রীরই বারণ করা উচিত ছিল এই ধরনের স্লোগান।

    ডেরেক ও ব্রায়েন: শালীনতার মতো বিষয় তো লুম্পেনদের শেখানো যায় না।

    নুসরত জাহান: একটি সরকারি অনুষ্ঠানে এভাবে ধর্মীয় স্লোগান দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করি আমি।

    দিলীপ ঘোষ: কেউ কিছু বললে ক্ষেপে যাওয়ার কী আছে! মুখ্যমন্ত্রীকে ধৈর্য্য রাখা উচিত। দৃষ্টিভঙ্গিটাই রাজনৈতিক। সামান্য বিরোধিতাও উনি সহ্য করতে পারেন না।

    কৈলাস বিজয়বর্গীয়: জয় শ্রীরামকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপমানজনক মনে করেন। এটিও এক ধরনের রাজনীতি।

    Published by:Arka Deb
    First published: