আহত মমতা! রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি তৃণমূলের, নন্দীগ্রামে পাল্টা পথ অবরোধ বিজেপির

আহত মমতা! রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি তৃণমূলের, নন্দীগ্রামে পাল্টা পথ অবরোধ বিজেপির

তৃণমূলের বিক্ষোভ।

মমতার পায়ে চোট পাওয়ার ঘটনার পর থেকেই গোটা রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। আগামিকাল বিক্ষোভ-অবস্থানের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি মারপিট করে খেলা খেলতে চাইছে, আমরা উন্নয়নের খেলা খেলতে চেয়েছিলাম। দাবি তৃণমূলের।

  • Share this:

    #কলকাতা: মমতার পায়ে চোট পাওয়ার ঘটনার পর থেকেই গোটা রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছে। আগামিকাল বিক্ষোভ-অবস্থানের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি মারপিট করে খেলা খেলতে চাইছে, আমরা উন্নয়নের খেলা খেলতে চেয়েছিলাম। দাবি তৃণমূলের। এদিন সন্ধেয় প্রতীকী পথ অবরোধ করা হয় চেতলায়। গোটা রাজ্যজুড়ে মশাল মিছিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল। বুধবার সন্ধে থেকেই বেলুড়, শোভাবাজার, হাওড়াতে তৃণমূলের পথ অবরোধ, বিক্ষোভ শুরু হয়। নন্দীগ্রামে মমতার উপর যে হামলার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধেই এই বিক্ষোভ। জিটি রোডেও অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। পোড়ানো হয় শুভেন্দু অধিকারীর কুশপুতুল। ডেবরাতে জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়  তৃণমূল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও ফের জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাল্টা এদিন নন্দীগ্রামের বিরুলিয়াতে বিজেপি কর্মীরা পথ অবরোধে নেমে পড়ে সন্ধে থেকেই। তাঁদের দাবি, রাস্তায় লাগানো লোহার রডে পা লেগে আহত হয়েছেন মমতা। কোনও ।ষড়যন্ত্র নেই এই ঘটনায়।

    এসএসকেএম-এর বাইরে বিক্ষোভ তৃণমূলের। এসএসকেএম-এর বাইরে বিক্ষোভ তৃণমূলের।

    নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় প্রচারের সময় ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার যে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। মমতা 'জেড প্লাস' ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। বস্তুত, ওই ঘটনার পর মমতার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। নন্দীগ্রাম থেকে সোজা তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। তাঁকে দেখতে এদিন হাসপাতালে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

    মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছনোর আগে থেকেই এসএসকেএম চত্বরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা ভিড় করে ফেলেন। উডবার্ন ব্লকের থেকে বাইরে বেরিয়ে স্লোগান শুরু করেন তাঁরা। এমন সময় রাজ্যপাল সেখানে ঢুকলেই আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। রাজ্যপালকে 'বিজেপির দালাল' বলে চিৎকার করতে শুরু করেন তাঁরা। তার পরেই ওঠে 'গো ব্যাক' স্লোগান। কেন বিজেপি এ ভাবে চক্রান্ত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা চালাল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

    অন্যদিকে, ফেরার পথে ফের রাজ্যপালের গাড়ি বেরিয়ে আসতে দেখেই উত্তেজিত হয়ে ওঠে এসএসকেএমের বাইরের জনতা। কেন রাজ্যপাল এসেছেন, সেই প্রশ্ন করতে থাকেন তাঁরা। অভিযোগ, রাজ্যপালের গাড়ি লক্ষ করে জুতো ছোড়া হয়। পরিস্থিতি এতটাই প্রতিকূল হয়ে ওঠে যে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার নিজে রাজ্যপালের গাড়ি হাসপাতাল থেকে বের করার জন্য উদ্যোগ নেন।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: