নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট আগে মনোনয়ন জমা পড়ল, মমতার লড়াই শুভেন্দুর সঙ্গে

নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট আগে মনোনয়ন জমা পড়ল, মমতার লড়াই শুভেন্দুর সঙ্গে

মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি ট্যুইটার থেকে নেওয়া.

বুধবার কর্মীসভায় মানুষের মন পড়তে চেয়ে মমতা জিজ্ঞেস করেছিলেন, মানুষের সমর্থন আছে কিনা। কর্মীদের সোল্লাসে তাঁকে বরণ করে নিতে দেখা যায়।

  • Share this:

    #হলদিয়া: ঘড়িতে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিট। নির্ধারিত সময়ের আগেই মহাকুমা শাসকের দফতরে পৌঁছে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাক্ষী রইলেন অন্যতম ছায়াসঙ্গী সুব্রত বক্সী। ছিলেন স্থানীয় নেতা, ব্লক সভাপতি স্বদেশ দাস,  ছিলেন  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কোনও বাড়তি ভিড় নেই, নির্বাচন কমিশনের বেধে দেওয়া কোভিড বিধি মেনেই মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক ভাবে নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ে আর কোনও বাধা রইল না। বরং শুরু হল নন্দীগ্রাম দখলের লড়াইয়ের চূড়ান্ত পর্ব। মনোনয়ন জমা করার আগে বুধবার কর্মীসভায় মানুষের মন পড়তে চেয়ে মমতা জিজ্ঞেস করেছিলেন, মানুষের সমর্থন আছে কিনা। কর্মীদের সোল্লাসে তাঁকে বরণ করে নিতে দেখা যায়।

    এ দিন সকাল থেকেই তাঁকে দেখতে হলদিয়া এসডিও অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলেন স্থানীয় মানুষরা। হলদিয়ায় মঞ্জুশ্রী মোড়ে থেকে মমতা পদযাত্রা শুরু করলে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায় তাঁদের মধ্যে। লক্ষ্য করার মতো ছিল মহিলাদের উপস্থিতি। কেউ হাতে ফুল নিয়ে, কেউ বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় পোস্টার নিয়ে মমতার জন্য গলা ফাটাতে থাকেন তাঁরা। পাশাপাশি ৩৪ টি বাসে করে মমতার সঙ্গে আসেন নন্দীগ্রামের স্থানীয় সমর্থকরাও। আবহটাই যেন ছিল উৎসবের। মমতা মনোনয়ন দিতে ঢুকলে বাইরেই তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন।

    কথা ছিল এ দিন মমতা বন্দ্যোপধ্যায় মনোনয়ন জমা দেওযার পরই মমতা কলকাতা ফিরে যাবেন। শেষ মুহূর্তে তিনি সিদ্ধান্ত বদলান। সূত্রের খবর,আরও বেশ কয়েকটি মন্দিরে যেতে পারেন মমতা। পাশাপাশি তার হয়ে যাঁরা আসন্ন নির্বাচনে কাজ করবেন, সেই আবু তাহের, শেখ সুফিয়ানদের সঙ্গে রণনীতি নিয়ে কথা বলতে পারেন তিনি।

    সূত্রের খবর, রাণিচক, সোনাচূড়াতেও যেতে পারেন মমতা। জানা যাচ্ছেন, আগামিকাল সকালে শিবমন্দির ছুঁয়ে কলকাতা রওনা দেবেন মমতা। বৃহস্পতিবার দুপুরে কালীঘাট থেকে ম্যানিফেস্টো প্রকাশ করার কথা তাঁর।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর