Mamata Banerjee: এবার ভোটে মহিলারাই গেমচেঞ্জার, ট্রাম্পকার্ড ফেললেন মমতা

Mamata Banerjee: এবার ভোটে মহিলারাই গেমচেঞ্জার, ট্রাম্পকার্ড ফেললেন মমতা

নিইজ-১৮ বাংলার একান্ত সাক্ষাৎকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যুবদেরও অগ্রাধিকার দিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি বুঝিয়ে দিচ্ছেন মহিলাদের জীবনযাত্রার সামগ্রিক উন্নয়নই তাঁর ট্রাম্পকার্ড।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রতিটি সভায় মেয়েদের উপস্থিতি চোখে পড়ে আলাদা করে। এমনকি ভোটদানের লাইনেও মহিলাদের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় মেনেই নিলেন মহিলারাই তাঁর গেমচেঞ্জার। পাশাপাশি যুবদেরও অগ্রাধিকার দিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি বুঝিয়ে দিচ্ছেন মহিলাদের জীবনযাত্রার সামগ্রিক উন্নয়নই তাঁর ট্রাম্পকার্ড।

    আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিউজ-১৮ বাংলায় একটি একান্ত সাক্ষাৎকারে একাধিক বার আসে মহিলাদের প্রসঙ্গ। মমতা বলেন, দ্রুত গতিতে পথ ধরে যাওয়ার সময় যখন কেউ বলে, দিদি আমিও কন্যাশ্রী, ভালো লাগে। কন্যাশ্রী, রূপশ্রীর মতো প্রকল্পের পাশাপশি তিনি মনে করিয়ে দেন স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডটির কথাও। মহিলাদের ক্ষমতায়নের পক্ষে স্বাস্থ্যসাথীকেও রাখছেন মমতা। কারণ স্বাস্থ্যসাথী কার্ডটা হয় মেয়েদের নামেই। গৃহকর্ত্রী এই কার্ড দেখিয়ে তাঁর বাবার বাড়ি এবং শ্বশুর বাড়ি দুই পরিবারেরই চিকিৎসা করতে পারেন। আর এই উন্নয়নেই ডিভিডেন্ট দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সাক্ষাৎকারে বলেই ফেললেন, মহিলারাই গেমচেঞ্জার।

    রাজনৈতিক মহল বলছে, সভামঞ্চে আকছা়ড় ব্যবহৃত খেলা হবে লব্জটিতে তিনি খেলোয়াড় হিসেবে আসলে নিজের ব্রিগে়ডে রাখছেন মা-মেয়েদেরই। এই কারণেই তো যখন উঠে দাঁড়ানো কার্যত অসম্ভব, তখন জোর গলায় বলা, মা বোনেদের দুটো পাই আমার পা। পরিষ্কার ভাবে বললে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পক্ষের খেলোয়াড় হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন এই মা-মেয়েদেরই। আজ মনে করালেন মাতৃত্বকালীন দুই বছরের ছুটি বা গৃহবধূদের হাতখরচের  মতো হাজার একটা মহিলাকেন্দ্রিক প্রকল্পের কথা।

    মনে রাখতে হবে ভোট শতাংশের বিচারে মহিলা ভোট মোট ভোটের অর্ধেক, কম বেশি সাড়ে তিনকোটি। এই সাড়ে তিন কোটির কত শতাংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্জন করবেন উন্নয়ন মডেলে, তার উপর নির্ভর করছে ভোটের ফল। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই সংকল্প যদি সত্যিই কাজে লেগে যায়, তবে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়রথ থামানো মুশকিল।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর