সায়নী, দেবলীনাদের অপমান করলে ছেড়ে কথা বলবেন না! মমতার হুঁশিয়ারি সভামঞ্চ থেকেই

সায়নী, দেবলীনাদের অপমান করলে ছেড়ে কথা বলবেন না! মমতার হুঁশিয়ারি সভামঞ্চ থেকেই
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ ও দেবলীনা দত্তদের মতো শিল্পীদের অসম্মান করলে, ছেড়ে কথা বলবেন না। হুগলির পুরশুড়া দলীয় সভা থেকে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

    #কলকাতা: অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ ও দেবলীনা দত্তদের মতো শিল্পীদের অসম্মান করলে, ছেড়ে কথা বলবেন না। হুগলির পুরশুড়া দলীয় সভা থেকে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি সায়নী ও দেবলীনা ফেসবুকে আক্রমণের শিকার হয়েছেন। এমনকি পেয়েছেন ধর্ষণের হুমকিও।

    মমতা এই প্রসঙ্গে জানান, মহিলাদের অসম্মান করলে তিনি তা সহ্য করবেন না। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলছেন, "আমায় যেখানে ইচ্ছে আক্রমণ করো। আমায় অসম্মান করো। আমার গায়ে ফোসকা পরবে না। দয়া করে বাংলাকে অসম্মান কোরো না। বাংলার দেবলীনা থেকে শুরু করে সায়নী কারওকে অসম্মান করবেন না। "

    এর পর সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "দেবলীনা, সায়নী বলল, ফেসবুকে ওদের বিজেপি থেকে বলছে বাংলার বাইরে পা রাখলেই রেপ করে দেব। আমি বললাম, এত বড় সাহস। একটা করে দেখা তার পরে বুঝবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী, আর পশ্চিমবাংলা কী।"


    হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "এত বড় সাহস যে মা বোনেদের ইজ্জত নিয়ে টানাটানি করে। তাদের সঙ্গে আবার কথা কী! তাদের মুখ না দেখা ভালো। যাদের মধ্যে মানবিকতা আছে তাদের আমি ভালোবাসি।"

    এদিন সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান তিনি রাজনীতি দিয়েই অপমানের জবাব দেবেন। গত শনিবার নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখতে যাওয়া মাত্র জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া হয় দর্শকাসন থেকে৷ বিজেপি সমর্থকরাই এই কাণ্ড ঘটান বলে অভিযোগ৷ ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার প্রতিবাদে অনুষ্ঠানে বক্তব্যও রাখেননি৷ প্রধানমন্ত্রীর সামনেই বিষয়টি নিয়ে সরব হন তিনি৷

    এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "কয়েকটা উগ্র,গর্ধ ধর্মান্ধ৷ আমায় দেশের প্রধানমন্ত্রীর সামনে টিজ করছে৷ কেউ যদি বলে মা আমার ঘরে এসে বাসন মেজে দাও আমি বলব করে দিচ্ছি৷ রাজনীতি দিয়ে আমি এর প্রত্যুত্তর দেব৷"

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: