১৪৩ নব্য-বিধায়কের শপথ আজ, বিধানসভায় শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলেন মমতা নিজে

বিধানসভায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মমতা।

এদিন শপথ গ্রহণ করবেন ১৪৩ জন। তাঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন মদন মিত্রর মতো হেভিওয়েট, তেমনই রয়েছে রাজ চক্রবর্তীর মতো নব্য মুখ।

  • Share this:

    #কলকাতা:  ভোটের লড়াই শেষে আজ ওঁদের মুখে হাসি। সাজো সাজো রব আজ বিধানসভায়। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন বুধবারই। কোভিড পরিস্থিতিতে ধাপে ধাপে বিধায়কদের শপথ গ্রহণ শুরু হল  আজ বৃহস্পতিবার। এদিন শপথ গ্রহণ করবেন ১৪৩ জন। তাঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন মদন মিত্রর মতো হেভিওয়েট, তেমনই রয়েছে রাজ চক্রবর্তীর মতো নব্য মুখ।

    সকাল থেকেই যেন হাসছে বিধানসভা চত্বর। হাসিমুখে কেউ ঢুকলেন পাটভাঙা শাড়ি পরে, কেউ ঢুকলেন  ধবধবে সাদা পাঞ্জাবিতে। প্রথম দিনে তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। খুব অল্প সময় থাকলেন, সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন, "দেখে গেলাম। বিধানসভায় শপথ চলছে। আমি আসব আবার।" বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস ধরা পড়ল নতুন ইনিংসের জন্য বিধানসভায় পা রাখা বহু বিধায়কদের গলায়। তাঁদের প্রথম প্রতিক্রিয়া তুলে ধরলাম আমরা-

    চিরঞ্জিত - বাংলা ভাগ হল না। আগে তো একবার বাংলা ভাগ হয়ে গিয়েছিল। এবার আর হবে না। বাংলার মানুষ আটকে দিল। ওঁরা তো আসছিল দেউচা পাঁচামি, অশোকনগর অয়েল পিট নিতে, অর্থ নিতে। বাঙালি বাংলার ছেলে-মেয়েদের চাকরি দেবে। খেলা হল। ৬-০ তে জিতলাম।

    মদন মিত্র - কেন্দ্রের মতো মুর্খ আর কেউ নেই। ওদেরই এজেন্সি বলেছে রাজ্য নারী সুরক্ষায় প্রথম। এসব না করে ভ্যাকসিন পাঠাতে বলুন। আমার এবার লাস্ট ইনিংস। আমি সব পেয়েছি। আমি সম্মানিত।

    নওশাদ সিদ্দিকি - আমি সংযুক্ত মোর্চার প্রতিনিধি হয়ে লড়াই করব। আমার ভয় লাগছে না। আমি মানুষের কথা বলব। আমি সংযুক্ত মোর্চার প্রতিনিধি হয়ে লড়াই করব। আমার ভয় লাগছে না। আমি মানুষের কথা বলব।

    রাজ চক্রবর্তী - কোনও অশান্তি হবে না। অশান্তি বন্ধ করব। এখন আমার পুরানো জগত নয়৷ এখন আমার এই নতুন জগত। আগে কাজ শিখি৷ আমি বিধানসভা শিখতে চাই৷ করোনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি। জল নিয়ে কাজ করতে হবে। অনেক ক্রাইসিস আসবে। টিম নিয়ে কাজ করব। শুভশ্রী শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

    বিধানসভায় রাজ চক্রবর্তী। বিধানসভায় রাজ চক্রবর্তী।

    অতীন ঘোষ - করোনা মোকাবিলায় কলকাতার ৭ বিধানসভায় কাজ করেছি৷ আজ বিধায়ক হয়ে এলাম। আমার প্রথম ও প্রধান কাজ করোনা মোকাবিলা করা৷ অক্সিজেন সরবরাহ যথাযথ রাখা।

    লাভলি মিত্র - আমার বাবা কাজ করতেন বিধানসভায়। আমি ছোট থেকে আসতাম। তাই নস্টালজিক আজ আমি জিতে এলাম শপথ নিতে। হিংসা একপাক্ষিক হয় না। অশান্তি বন্ধ রেখে কাজ করব আমরা।

    রত্না চ্যাটার্জি - কতবার মা'কে বলেছি বিধানসভা দেখাতে। মা দেখাতে পারল না। আজ নিজের চেষ্টায় বিধানসভায় এলাম। ১১ ওয়ার্ডে কিছু কাজ বাকি আছে। সেগুলো শেষ করতে হবে।

    মনোজ টিগগা - লক্ষ্য পূরণ করতে পারিনি। তবে রাজ্যের মানুষের কথা আমরা বলব। আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলব। দল যা দায়িত্ব দেবে সেই কাজ পূরণ করব। পরিষদীয় নেতা নির্বাচন খুব শীঘ্রই হবে।

    পার্থ ভৌমিক - ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল নিয়ে আমরা আশা পূরণ করেছি। মানুষ আমাদের পাশে আছেন। এখন প্রধান কাজ হল করোনা নিয়ে কাজ করা৷

    বিশ্বজিৎ দাস - এলাকায় কিছু অশান্তি আছে। তবে, অশান্তি কাটাতে প্রশাসনের থেকে সব সহযোগিতা পাচ্ছি।

    Published by:Arka Deb
    First published: