Home /News /kolkata /
বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্তর প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রীর

বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্তর প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রীর

প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্ত। দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার সকালে এসএসকেএম-এ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় প্রবীণ গায়িকার।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্ত। দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার সকালে এসএসকেএম-এ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় প্রবীণ গায়িকার। তাঁর বয়স হয়েছিল তিয়াত্তর বছর। এসএসকেএম থেকে রবীন্দ্র সদনে নিয়ে যাওয়া হয় শিল্পীর মরদেহ। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তাঁর। শিল্পীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলার সঙ্গীতজগৎ। শোকজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বিখ্যাত তবলিয়া রাধাকান্ত নন্দী বনশ্রী সেনগুপ্তকে ডাকতেন ‘জংলি বিউটি’ বলে।

    রবিন চট্টোপাধ্যায়ের সুরে গান রেকর্ড করতে গেছেন তিনি। পড়েছি চাঁপাডোরে শাড়ি আর খোঁপাটি বাহারি গো, দু হাতে রেশমি চুড়ি পড়েছি, আমি কি ভালোবেসে মরেছি- এই রেকর্ডিংয়েই তাঁর সঙ্গে প্রথম পরিচয়। রবিনদা বললেন, তোমার বাবা শৈলেন রায় তো? গান গাইতে গিয়ে খুব টেনশন করছিলেন তিনি। গাইতে পারছিলেন না। তা দেখে বনশ্রীদিকে চড় মেরে বসলেন রবিনদা। রাধুদা ছুটে এসে জানতে চাইলেন মারলেন কেন। রবিনদা বললেন টেপ নষ্ট হয়ে যাবে তো এরকম হলে তাহলে ওকে আর কেউ ডাকবে না। তাই ওকে মারলাম। রাধুদা বললেন, তাহলে তো আবার মারতে হবে। কারণ দ্বিতীয় গানটাও তো ওকেই গাইতে হবে। বনশ্রীদির কথায় চড় খেয়ে গান ও হল ভালো।

    vlcsnap-0433-03-12-21h43m02s434

    প্রয়াত সংগীতশিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্ত। গুরুতর অবস্থায় ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ভরতি ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই লিভার, কিডনি, ফুসফুস ও হার্টের অসুখে ভুগছিলেন প্রবীণ শিল্পী। শনিবার রাত থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যায় তাঁর। আচমকা অবনতিতে আইসিসিইউতে স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। রবিবার সকাল এগারোটায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল তিয়াত্তর বছর।

    বাংলা আধুনিক গানের প্রবাদপ্রতিম শিল্পীর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতজগৎ।

    খবর পেয়ে এসএসকেএম-এ যান তথ্য- সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রী এবং শিল্পীর সহকর্মী ইন্দ্রনীল সেন।

    দুপুরে এসএসকেএম থেকে রবীন্দ্র সদনে আনা হয় বনশ্রী সেনগুপ্তের মরদেহ। প্রবাদপ্রতিম শিল্পীর অসংখ্য ভক্ত, সহকর্মী, গুণমুগ্ধরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর শিল্পীর ভবানীপুরের প্রতাপাদিত্য রায় রোডের বাড়িতে আনা হয় দেহ। সেখান থেকে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় বনশ্রী সেনগুপ্তের।

    First published:

    পরবর্তী খবর