সহানুভূতি কুড়োতেই হুইলচেয়ারে প্রচার! বিরোধীদের কটাক্ষের কী জবাব দিলেন মমতা?

সহানুভূতি কুড়োতেই হুইলচেয়ারে প্রচার! বিরোধীদের কটাক্ষের কী জবাব দিলেন মমতা?

হুইলচেয়ারে মুখ্য়মন্ত্রী৷

এ দিন দলের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিরোধীদের এই কটাক্ষেরই সরাসরি জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

  • Share this:

    #কলকাতা: পায়ে প্লাস্টার, হুইলচেয়ারে করে এক জেলা থেকে আর এক জেলা ঘুরে সভা করছেন৷ বার বার বলছেন, চোট লাগা পায়ে কতখানি ব্যথা করছে৷ বিরোধীরা তাঁর সুস্থতা কামনা করেছেন ঠিকই, কিন্তু সহানুভূতি আদায় করতেই তিনি হুইলচেয়ারে ঘুরছেন বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা৷ এ দিন দলের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিরোধীদের এই কটাক্ষেরই সরাসরি জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

    সহানুভূতি আদায় করতেই তিনি হুইলচেয়ারে ঘুরছেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'পিজি-র এতজন ডাক্তার, এমআরআই রিপোর্ট, মেডিক্যাল রিপোর্ট, সবই ভুল? বিরোধীরা কী কটাক্ষ করল বলল তাতে আমার কিছু আসে যায় না৷ কাউকে জিজ্ঞেস করুন না, নিজের দুটো পায়ে চলা, আর না চলতে পারা কত বড় ব্যথা৷ আমার তো মাথায় আঘাত করেছে, দুটো হাত ভেঙে দিয়েছে, আমার চোখও গিয়েছে, গুলিও চালিয়েছে, পেটেও মেরেছে, কতবার অপারেশন হয়েছে৷ সবই ভাঁওতা, সবই ভুল! ওনাদের কী আছে? আমি হুইলচেয়ারে ঘুরছি আমার কোনও উপায় নেই বলে৷ আমার খুবই কষ্ট হচ্ছে৷ একটা পা তো ফেলতেই পারছি না৷ যখন পা টা টেনে এনে লাগাচ্ছে গোড়ালিতে চোট বলে, খুব ব্যথা করছে৷ কিন্তু আমি মানুষের কষ্টটা বুঝি৷' কেন তিনি এই অবস্থাতেও ঘুরছেন তা আরও জোরাল ভাবে বোঝাতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কিন্তু বিজেপি-র মতো সবচেয়ে 'হাই লোডেড ভাইরাস' একটা রাজনৈতিক দল৷ এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই আমি বললাম৷ এরা একটা নোংরা খেলা খেলছে৷ আমরা সেটা হতে দেব না৷'

    মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সভা করতে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, জীবনে অনেক বার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাত পেয়েছেন৷ কিন্তু পায়ের চোটেই সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন তিনি৷

    ভোট প্রচারে ইতিমধ্যেই উত্তর থেকে দক্ষিণ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ গত সোমবার থেকে পর পর সভা করেছেন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে৷ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে মানুষের মনোভাব কী বুঝছেন সেই প্রশ্নের জবাবে তৃণমূলনেত্রী বলেন, 'সেটা ভোটের বাক্স বলবে৷ আমি আশাবাদী৷ সব জায়গাতেই খেলা হবে৷ খেলাটা শুরু হবে ২৭ তারিখ জঙ্গলমহল থেকে৷'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:

    লেটেস্ট খবর