কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

খুলতে হবে মাঝেরহাট সেতু, বিজেপি-র বিক্ষোভে তুলকালাম! দেরির জন্য রেলকে দুষলেন মমতা

খুলতে হবে মাঝেরহাট সেতু, বিজেপি-র বিক্ষোভে তুলকালাম! দেরির জন্য রেলকে দুষলেন মমতা
মাঝেরহাট সেতুকে ঘিরে চাপানউতোর৷ Photo-File

যদিও বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্যই তাঁরা মাঝেরহাট সেতুর কাছে জড়ো হয়েছিলেন৷

  • Share this:

#কলকাতা: মাঝেরহাট সেতু চালু করতে হবে৷ এই দাবি ঘিরে বিজেপি-র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তুলকালাম হল তারাতলা মোড় এলাকায়৷ বিজেপি সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ৷ গ্রেফতার করা হল বিজেপি-র বহু কর্মী, সমর্থককে৷ বিজেপি-র বিক্ষোভকে নাটক বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, রেল অনুমতি দিতে দেরি করাতেই চালু করা যায়নি মাঝেরহাট সেতু৷ নাহলে ৯ মাস আগেই তা চালু করা যেত৷

এ দিন দুপুরে আচমকাই নবনির্মিত মাঝেরহাট সেতুর কাছে জড়ো সেতু খুলে দেওয়ার দাবি জানান বিজেপি সমর্থকরা৷ বিজেপি-র দাবি আগে থেকেই বিক্ষোভের অনুমতি নেওয়া ছিল তাদের৷ পুলিশ প্রথমে বিজেপি সমর্থকদের সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে৷ কিন্তু তারা রাজি না হওয়ায় বিজেপি সমর্থকদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করে পুলিশ৷ তখনই দু' পক্ষে সংঘর্ষ বেঁধে যায়৷ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে৷ পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ৷ আশেপাশে এলাকার বাড়িগুলিতে ঢুকে লুকনোর চেষ্টা করেন বেশ কিছু বিজেপি সমর্থক৷ এর মধ্যে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থল পৌঁছলে উত্তেজনা আরও বাড়ে৷ ধৃত বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে তিনিও বাসে উঠে পড়েন৷ যদিও পুলিশ জানায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে গ্রেফতার করা হয়নি৷ তাঁকে বাস থেকে নেমে আসতেও অনুরোধ করা হয়৷ কিন্তু বিজেপি নেতা জানান, বাকি সমর্থকদের ছাড়লে তবেই তিনি বাস থেকে নামবেন৷

বিশাল পুলিশবাহিনী এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে৷ পরে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রেল অনুমতি না দেওয়াতেই মাঝেরহাট সেতুর উদ্বোধন করা সম্ভব হয়নি৷ টেকনিক্যাল কয়েকটি কারণে এখনও রেল সব অনুমতি দেয়নি বলে সেতুর উদ্বোধন করতে আরও সাত থেকে আট দিন সময় লাগতে পারে৷ তিনি আরও জানান, যেদিন রেল অনুমতি দেবে, সেদিনই সেতু খুলে দেওয়া হবে৷

বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের নাম না করেই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'যারা ভাবছে টিভিতে থেকে শুধু দর্শনধারী হয়ে থাকবে, তাঁদের বলব বাংলায় বহিরাগতদের স্থান নেই৷ ৯ মাস ধরে রেল যখন অনুমতি দেয়নি, তখন কি বিজেপি পার্টি ঘুমোচ্ছিল৷ ৯ মাস ধরে রেলের হাতে পায়ে ধরেছি৷ পূর্ত দফতরের কাজ অনেক দিন আগে শেষ হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের ঢিলেমির জন্য, বিজেপি-র রাজনীতির জন্য, মানুষকে হয়রান হতে হচ্ছে৷ ২-৩ বছর ধরে বেহালা, দক্ষিণ কলকাতার মানুষ কত যন্ত্রণা ভোগ করেছেন৷'

যদিও বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্যই তাঁরা মাঝেরহাট সেতুর কাছে জড়ো হয়েছিলেন৷ তিনি আরও বলেন, রেল এবং রাজ্যের মধ্যে বৈঠকে কী হয়েছে, তাতে তাদের কিছু করণীয় নেই৷ মানুষের সুবিধার্থেই দ্রুত ব্রিজ খোলার দাবি জানিয়েছেন তারা৷ পুলিশের মারে বিজেপি বেশ কয়েকজন সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন শমীক ভট্টাচার্য৷

বিজেপি-র বিক্ষোভের পাল্টা এ দিন সন্ধ্যায় তারাতলা এলাকায় পাল্টা মিছিল করে তৃণমূল৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলররা৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: November 26, 2020, 7:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर