Home /News /kolkata /
Mallickabazar hospital accident Update: বাধা দিতে গেলে নার্সের হাত কামড়ে দেওয়ার চেষ্টা, কীভাবে কার্নিশে পৌঁছলেন সুজিত?

Mallickabazar hospital accident Update: বাধা দিতে গেলে নার্সের হাত কামড়ে দেওয়ার চেষ্টা, কীভাবে কার্নিশে পৌঁছলেন সুজিত?

তখনও চলছে রোগীকে উদ্ধারের চেষ্টা৷

তখনও চলছে রোগীকে উদ্ধারের চেষ্টা৷

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, কার্নিশে নামার পর থেকেই সুজিত ঝাঁপ দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন৷

  • Share this:

#কলকাতা: রোগী জানলা খুলে কার্নিশে নামছেন দেখে বাধা দিতে গিয়েছিলেন নার্স৷ কিন্তু তাঁর হাতেই কামড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন লেক টাউনের বাসিন্দা সুিজত অধিকারী৷ বাধ্য হয়েই হাত সরিয়ে নেন ওই নার্স, সেই সুযোগেই কার্নিশে নেমে যান সুজিত৷ কার্নিশ থেকে পড়ে গিয়ে রোগীর গুরুতর জখম হওয়ার ঘটনায় এমনই দাবি করল মল্লিকবাজারের ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ৷ বুকে ও মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে আপাতত ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন সুজিত৷ ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়েছে তাঁকে৷

মল্লিকবাজারের ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, গত ২৩ তারিখ হাসপাতালের আট তলার এইচডিইউ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল সুজিতকে৷ এ দিন সেই ওয়ার্ডেই নিজের বেডের পাশের জানলা খুলে কার্নিশে নেমে পড়েন সুজিত৷ কীভাবে রোগী জানলার লক খুলে ফেললেন, সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷

আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর, মল্লিকবাজারের হাসপাতালের আট তলার কার্নিশ থেকে হাত ফসকে নীচে পড়ে গেলেন রোগী

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমান, সম্ভবত রোগীদের শয্যা ওঠানো নামানোর জন্য ব্যবহৃত হাতল বা বেড কি দিয়ে জানলার স্ক্রু ভেঙে ফেলেন সুজিত৷ কারণ, সুজিত যে কার্নিশে নেমেছিলেন, সেখানে একটি বেড কি মিলেছে৷ আর ওয়ার্ডের মধ্যেই জানলার নীচে পড়েছিল একটি স্ক্র৷ পাশের বেডের রোগীও অসুস্থ থাকায় তিনিও কিছু বুঝতে পারেননি৷ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, জানলা যথেষ্ট শক্তপোক্ত ভাবে বন্ধ করা থাকে৷ কোনও রোগী কেন, সুস্থ মানুষের পক্ষেও তা খোলা কঠিন৷

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, কার্নিশে নামার পর থেকেই সুজিত ঝাঁপ দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন৷ সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল ও রোগীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়৷ যেহেতু কার্নিশে কোনও রেলিং ছিল না, তাই হাসপাতালের কারও পক্ষে সেখানে নামা সম্ভব হয়নি৷ যদিও ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন৷ খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে পৌঁছন সুজিতের পিসি এবং ভাইও৷ তাঁরাও তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেন৷ ভিডিও কলের মাধ্যমে সুজিতের ৯ বছরের ছেলেকে দিয়েও তাঁকে ডাকানো হয়৷ কিন্তু কোনও কিছুতেই কাজ হয়নি৷ প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে ব্যর্থ চেষ্টার পর সুজিত কার্নিশ থেকে নীচে পড়ে যান৷

আরও পড়ুন: ছেলের ডাকেও ফিরলেন না, স্ত্রীর মৃত্যুতেই বদলে যান লেকটাউনের সুজিত

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, চোখের সামনে রোগীকে আট তলার কার্নিশ থেকে পড়ে যেতে দেখে হাসপাতালেরই তিন জন কর্মী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন৷ তবে এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে অবিলম্বে হাসপাতালের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে৷ ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্তও করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷

সুজিতের অধিকারী নােম লেক টাউনের শ্রীভূমির বাসিন্দা ওই যুবকের পরিবার জানিয়েছে, মাসখানেক আগে স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকেই অবসাদে ভুগছিলেন তিনি৷ মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ায় দু' দিন আগে তাঁকে মল্লিকবাজারের ওই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়৷

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: Accident, Suicide

পরবর্তী খবর