Home /News /kolkata /
Arjun Sing Joines TMC: রাগ-অভিমান মুছে আলিঙ্গন, অর্জুনকে নিয়ে কী বললেন মদন মিত্র

Arjun Sing Joines TMC: রাগ-অভিমান মুছে আলিঙ্গন, অর্জুনকে নিয়ে কী বললেন মদন মিত্র

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Arjun Sing Joines TMC: সাধারণ ট্যাক্সি ইউনিয়ের নেতা থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া, বঙ্গ রাজনীতিতে মদন মিত্রের উত্থান আক্ষরিক অর্থেই নজর কাড়া। তবে ছন্দ পতন ঘটে ২০১৪ সালে।

  • Share this:

#কলকাতা: ২০১৯ সালে অর্জুনের তৃণমূল ত্যাগ। বিধায়ক হিসাবে তার পদত্যাগ। আর সেই আসনের উপনির্বাচনে ভাটপাড়ায় প্রার্থী হিসাবে দাঁড়ান মদন মিত্র। আর সেই প্রচার থেকেই শুরু হয়ে যায় দ্বন্দ্ব। ডানলপ থেকে আমডাঙ্গা অর্জুন বিরোধীতায় সরব হন মদন। পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন অর্জুন সিং। ভাটপাড়ার উপনির্বাচনে পরাস্ত হন মদন মিত্র। আর তার পরেই রাজনৈতিক লড়াই চলতে থাকে দুই'য়ের মধ্যে। এদিন টিটাগড় দলীয় কার্যালয়ে সেই রাগ, অভিমান সব ধুয়ে মুছে জল হয়ে গিয়েছে। মদন মিত্র নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন অর্জুন সিংকে।

এ দিন মদন মিত্র জানিয়েছেন, আমি অর্জুনকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খাওয়াব। আমার সঙ্গে অর্জুনের কোনও লড়াই ছিল না। আমার লড়াই ছিল আসলে মোদীর বিজেপির বিরুদ্ধে। অর্জুন এসে যাওয়া মানে ৪৮ এ ১৪ ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। ব্যারাকপুর, দমদমের মানুষ আর বিজেপি বা সিপিএমের দিকে যাবে না৷ আমার সঙ্গে অর্জুনের কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নেই৷ ও ফরসা, আমিও ফরসা৷ অন্য দলে ছিল বলে আমি এতদিন সেটা বুঝিনি৷ আশা করব দল যাকে নিতে বলেছে তাঁকে নিয়েই চলব।

আরও পড়ুন - বাইকের দামে আস্ত একটি গাড়ি! Bajaj Qute (RE60)-এর সম্পর্কে বিস্তারিত চমকে দেবে

অর্জুন গড় ভাটপাড়ায় ‘পরীক্ষিত’ সৈনিক মদন মিত্রের উপর ভরসা রেখেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাটপাড়া বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছিলেন মদন মিত্র। ওই কেন্দ্রের বিধায়ক অর্জুন সিং তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর ভাটপাড়া কেন্দ্রের উপনির্বাচন কার্যত অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। আর তাই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল সময় থাকতেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল মদন মিত্রকে।প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে যে কয়েকজন তৃণমূল তৈরি করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। বঙ্গ রাজনীতিতে বরাবরই মমতার আনুগত সৈনিক হিসেবে পরিচিত মদন মিত্র। দলের যে কয়েকজন সৈনিকের উপর দলনেত্রী অগাধ ভরসা রাখেন, তাঁর মধ্যে বরাবরই অন্যতম মদন। দলের সংগঠন মজবুত করা থেকে মিটিং-মিছিলের আয়োজন ও নেতৃত্বদানে বরাবরই অনন্য ভবানীপুরের মিত্র বাড়ির এই সদস্য। আর এসবের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১১ সালে পরিবর্তনের সরকারের ক্রীড়া ও পরিবহণমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন মদন।

আরও পড়ুন: 'ক্ষতিটা স্বীকার করতে শিখুন', অর্জুন দল ছাড়ায় নাম না করে কাকে খোঁচা অনুপমের?

সাধারণ ট্যাক্সি ইউনিয়ের নেতা থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হওয়া, বঙ্গ রাজনীতিতে মদন মিত্রের উত্থান আক্ষরিক অর্থেই নজর কাড়া। তবে ছন্দ পতন ঘটে ২০১৪ সালে। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর সারদা কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন তৎকালীন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। পরবর্তীকালে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন ‘প্রভাবশালী’ মদন মিত্র। তা সত্ত্বেও দল বা দলনেত্রী, কারও বিরুদ্ধেই কখনও কোনও কথা বললেনি মদন। বরং বরাবরই নেত্রীর অনুগত সৈনিকের মতো রাজনীতির ময়দানে নিজেকে মেলে ধরেছেন মদন। কারাবাসের পরবর্তী সময়ে তৃণমূলে মদন কোণঠাসা বলেই মনে করেছিল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তবু মদন যখন যেমন দায়িত্ব পেয়েছেন, তখন তাই সামলেছেন। এমন প্রেক্ষাপটে ভাটপাড়ায় মদনকে তৃণমূলের প্রার্থী করা নিয়ে মমতার ঘোষণা রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত ছিল রাজনীতির কারবারিদের।এদিন অবশ্য সব পুরনো কথা বা তিক্ততার তিন বছর মনে রাখতে চান না মদন মিত্র।

Abir Ghosal

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Madan Mitra

পরবর্তী খবর