corona virus btn
corona virus btn
Loading

আগামী দিনে খাবার মুখে উঠবে কিনা এটাই এখন চিন্তা,সাহায্যের আবেদন সব বাস সংগঠনের

আগামী দিনে খাবার মুখে উঠবে কিনা এটাই এখন চিন্তা,সাহায্যের আবেদন সব বাস সংগঠনের
Representational Image

টানা লকডাউনের জন্য বাস না চলার কারণে তাদের প্রত্যেককে পরিবার নিয়ে ভীষণ সঙ্কটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।

  • Share this:

#কলকাতা: বেবিফুড কেনার পয়সা নেই। পয়সা নেই দু'বেলা দু'মুঠো অন্ন জোগাড়ের। আগামী দিনে খাবার মুখে উঠবে তো। এই চিন্তায় মশগুল গণ পরিবহণ ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা। সাহায্য চেয়ে ফের রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হলেন বাস মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এই চিঠির মাধ্যমে, সরাসরি আর্থিক প্যাকেজ চাওয়া হয়েছে। এর আগেও রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিলেন বাস মালিকরা। বাস মালিকদের দু’টি সংগঠনই একই দাবিতে আর্থিক প্যাকেজ চেয়ে এই চিঠি দিয়েছে। দুই চিঠিরই বক্তব্য এক।

গত দু'সপ্তাহ ধরে বাস মালিকদের সংগঠনের তরফ থেকে তাদের অসুবিধার কথা জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে পরিবহন মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে। এবার সংগঠনের মূল বক্তব্য, টানা লকডাউনের জন্য বাস না চলার কারণে তাদের প্রত্যেককে পরিবার নিয়ে ভীষণ সঙ্কটের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। এই অবস্থা বাসকর্মী থেকে শুরু করে মালিক সকলের। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আর্থিক প্যাকেজ জরুরি। তাই এবার বিভিন্ন সংগঠন একসাথে চিঠি দিয়ে প্যাকেজের দাবি জানাল।

জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "এমনিতেই এখন কী কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে আমাদের দিন কাটাতে হচ্ছে, তা একমাত্র বাসকর্মী এবং মালিক আমরাই টের পাচ্ছি। লকডাউন যখন উঠবে তখনও বসে থাকা বাসগুলিকে রাস্তায় নামাতে হলে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করাতে হবে। বিশেষত টায়ার, টিউব এবং ব্যাটারির ক্ষতি হয়েছে। ফলে আমাদের আশঙ্কা তখনও টাকা দরকার পড়বে। এর পাশাপাশি আমাদের সত্যি খাবার জোগাড়ের পয়সা নেই। তাই আমাদের টাকার দরকার পড়বে। এই পরিস্থিতিতে গণ পরিবহণ সংগঠনগুলির আর্থিক সহায়তা খুব দরকার।" এই দাবি জানিয়েই রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইন্টার অ্যান্ড ইন্ট্রা রিজিয়ন বাস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পল্লব মজুমদার জানিয়েছেন, " এই কঠিন পরিস্থিতিতে আর্থিক প্যাকেজ ছাড়া এই সঙ্কট থেকে মুক্তির কোনও উপায় খোলা নেই।" সংগঠনগুলি এই পরিস্থিতিতেও বাসকর্মীদের সাহায্য করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। তবুও টাকার অভাবে প্রত্যেককে সাহায্য করা আর তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কিছুদিন আগেও কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়েছে সংগঠনগুলি। এবার রাজ্যের কাছে আর্জি জানানো হল সাহায্য চেয়ে। বাস সংগঠনের নেতা রাহুল চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, "আমাদের সংগঠনের অনেক মালিক আছেন যাদের এখন বাজার বিক্রি করতে হচ্ছে। বহু শ্রমিক বুঝে উঠতে পারছেন না সত্যি আর বাস চলবে কিনা।" এই পরিস্থিতিতে প্যাকেজ না পেলে পরিবহণ শিল্পের কি হবে তা ভেবে মাথা ব্যথা বাস সংগঠনের প্রতিনিধিদের।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: April 29, 2020, 11:21 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर