Home /News /kolkata /
স্টাফ স্পেশালে চড়ার অনুমতি চেয়ে আবেদনের পাহাড়, নাজেহাল রেল আধিকারিকরা

স্টাফ স্পেশালে চড়ার অনুমতি চেয়ে আবেদনের পাহাড়, নাজেহাল রেল আধিকারিকরা

আবেদন নিবেদনে জেরবার রেলকর্তারা।

আবেদন নিবেদনে জেরবার রেলকর্তারা।

পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌছে গেছে যে ল্যান্ড ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে রেল।

  • Share this:

#কলকাতা: স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়তে দেওয়া হোক। রেলের একাধিক অফিসে প্রতিদিন বেড়েই চলেছে এমন আবেদন। এমনকি ডি আর এম অফিস, সিপিআরও অফিস, এমারজেন্সি সার্ভিস কাউন্টার। সর্বত্র ফোন করে আবেদন করে চলেছেন একাধিক যাত্রী। আবেদন ও ফোলের জেরে হিমশিম খেতে হচ্ছে রেলের আধিকারিকদের। ইতিমধ্যেই এই রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করার জন্য রেলকে জানিয়ে দেয় রাজ্য সরকার। আংশিক লকডাউনে পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে লোকাল ট্রেনের। শুধু মাত্র স্টাফ স্পেশাল ট্রেন চলছে। দিনের বাছাই করা সময়ে হাওড়া, শিয়ালদহ, খড়গপুর, ব্যান্ডেল, বর্ধমান থেকে চলছে স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। আর তাতে করেই যাতায়াত করতে চেয়ে ভুরি ভুরি আবেদন জমা পড়ছে রেলের আধিকারিকদের কাছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌছে গেছে যে ল্যান্ড ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে রেল।

রাজ্য সরকারের তরফে আবেদন করা হয়েছিল যারা স্বাস্থ্য কর্মী তাদের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার সুযোগ দেওয়া হোক। সেই মোতাবেক রেল সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের লোকাল ট্রেনে চড়ার অনুমতি দিয়েছে। সূত্রের খবর, রেলের কাছে পুর কর্মীদের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার অনুমতি চেয়েছিল কলকাতা পুরসভা৷ রেল পালটা তাদের জানিয়েছে পুরসভা রেলের কর্মীদের ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে দিক। তাহলে তারাও ব্যবস্থা করবে। পুরসভা জানায়, কেন্দ্র থেকে যথাযথ ভ্যাকসিন না পাওয়ায় তাদের পক্ষে সকলকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এই সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকলেও স্টাফ স্পেশালে উঠতে গিয়ে প্রতিদিনই চলছে নানা সমস্যা। এর মধ্যেF পরিচারিকারা এসে দেখা করে গিয়েছেন শিয়ালদহ ডি আর এম অফিসে। তাদের দাবি, কাজে আসতে না পারলে তাদের চাকরি চলে যাবে। তাই তাদের অনুমতি দেওয়া হোক স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার।

ইতিমধ্যেই পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্যে কামরা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। যদিও একাধিক রেল আধিকারিকের বক্তব্য, নজর গলে অনেকেই স্টাফ স্পেশালে উঠে পড়ছেন। ফলে রেল কর্মীদের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আর পি এফ ও টিকিট চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। শিয়ালদহের ডি আর এম জানিয়েছেন, "এত ফোন আর চিঠি আসছে যে আমাদের এবার অসুবিধা হচ্ছে।অনেকে এসে আবার দেখাও করে গিয়েছেন। রাজ্য এদের ব্যবস্থা করুক। আমাদের আর কিছু করার উপায় নেই।"

পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে ফের ট্রেন চলাচলে যাতে সমস্যা না হয় সেটাই ভাবাচ্ছে রেল আধিকারিকদের।

Published by:Arka Deb
First published:

Tags: Coronavirus, COVID19, Local Train

পরবর্তী খবর