Local Train: এবার বিনা অনুমতিতে স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠলেই গ্রেফতার, নির্দেশ রেলের! 

এবার লোকাল ট্রেনে বিনা অনুমতিতে উঠলেই গ্রেফতারির নির্দেশ।

রেল কর্মীদের জন্যে নির্দিষ্ট স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে বিনা অনুমতিতে চড়লেই গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: ক্রমশ বাড়ছে রেল কর্মীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যু হয়েছে একাধিক চালক ও গার্ডের। এই পরিস্থিতিতে রেল কর্মীদের জন্যে নির্দিষ্ট স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে বিনা অনুমতিতে চড়লেই গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে রাজ্যের তরফ থেকে স্বাস্থ্য কর্মী ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মর্মে রেলকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের তরফে। রাজ্যের আবেদন রেল মেনে নিয়েছে। এরা ব্যতীত যে বা যারা স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠবেন তাদের গ্রেফতার করবে বলে জানিয়েছে রেল। ভারতীয় রেলের ১৪৭ ধারায় তাদের গ্রেফতার করা হবে। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়তে দেওয়া হোক, রেলের একাধিক অফিসে প্রতিদিন বেড়েই চলেছে এমন আবেদন। এমনকি ডি আর এম অফিস, সিপিআরও অফিস, এমারজেন্সি সার্ভিস কাউন্টার সর্বত্র ফোন করে আবেদন করে চলেছেন একাধিক যাত্রী। আবেদন ও ফোলের জেরে হিমশিম খেতে হচ্ছে রেলের আধিকারিকদের।

লকডাউন জারির আগেই এই রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করার জন্য রেলকে জানিয়ে দেয় রাজ্য সরকার। শুধুমাত্র স্টাফ স্পেশাল ট্রেন চলছে। দিনের বাছাই করা সময়ে হাওড়া, শিয়ালদহ, খড়গপুর, ব্যান্ডেল, বর্ধমান থেকে চলছে স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। আর তাতে করেই যাতায়াত করতে চেয়ে ভুরি ভুরি আবেদন জমা পড়ছে রেলের আধিকারিকদের কাছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌছে গেছে যে ল্যান্ড ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে রেল। রাজ্য সরকারের তরফে আবেদন করা হয়েছিল যারা স্বাস্থ্যকর্মী তাদের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার সুযোগ দেওয়া হোক। সেই মোতাবেক রেল সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের লোকাল ট্রেনে চড়ার অনুমতি দিয়েছে। সূত্রের খবর, রেলের কাছে পুর কর্মীদের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার অনুমতি চেয়েছিল কলকাতা পুরসভা৷ রেল পালটা তাদের জানিয়েছে পুরসভা রেলের কর্মীদের ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করে দিক। তাহলে তারাও ব্যবস্থা করবে।পুরসভা জানায়, কেন্দ্র থেকে যথাযথ ভ্যাকসিন না পাওয়ায় তাদের পক্ষে সকলকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এই সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকলেও স্টাফ স্পেশালে উঠতে গিয়ে প্রতিদিনই চলছে নানা সমস্যা।

ইতিমধ্যেই পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্যে কামরা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। যদিও একাধিক রেল আধিকারিকের বক্তব্য, নজর গলে অনেকেই স্টাফ স্পেশালে উঠে পড়ছেন। ফলে রেল কর্মীদের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আর পি এফ ও টিকিট চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। শিয়ালদহের ডি আর এম জানিয়েছেন, "এত ফোন আর চিঠি আসছে যে আমাদের এবার অসুবিধা হচ্ছে।অনেকে এসে আবার দেখাও করে গিয়েছেন। রাজ্য এদের ব্যবস্থা করুক। আমাদের আর কিছু করার উপায় নেই।" পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে ফের ট্রেন চলাচলে যাতে সমস্যা না হয় সেটাই ভাবাচ্ছে রেল আধিকারিকদের।

Published by:Arka Deb
First published: