• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কী হবে সোমবার সকাল থেকে? চিন্তায় উত্তর শহরতলির মানুষ

কী হবে সোমবার সকাল থেকে? চিন্তায় উত্তর শহরতলির মানুষ

ইতিমধ্যেই ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে থাকবে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশও।কিন্তু যানজট এড়ানো যাবে কি? প্রশ্ন নিত্যযাত্রীদের?

ইতিমধ্যেই ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে থাকবে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশও।কিন্তু যানজট এড়ানো যাবে কি? প্রশ্ন নিত্যযাত্রীদের?

ইতিমধ্যেই ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে থাকবে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশও।কিন্তু যানজট এড়ানো যাবে কি? প্রশ্ন নিত্যযাত্রীদের?

  • Share this:

#কলকাতা: সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন থেকে ভোগান্তি অপেক্ষা করে আছে। এই চিন্তায় মশগুল উত্তর শহরতলির মানুষ। যাদের প্রত্যেকদিন যাতায়াতের সঙ্গে জড়িত ছিল টালা সেতু। ভারী যান চলাচল বন্ধ হলেও, পকেটের টাকা একটু বেশি খরচা করেও অটো করে টালা সেতুর ওপর দিয়ে সহজে গন্তব্যে পৌঁছন যেত। এবার সেই রাস্তাও বন্ধ। ফলে সোমবার থেকে ভোগান্তি যে বাড়বে তা জেনে গিয়েছেন উত্তর শহরতলির মানুষ। সমস্যা যে হবে তা মানছেন কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিকরাও।

রবিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে জোরকদমে সেতু ভাঙার কাজ। আপাতত ভার কমানোর জন্য তুলে ফেলা হচ্ছে সেতুর ওপরে থাকা পিচের আস্তরণ। বাগবাজারের দিক থেকে এই কাজ শুরু করা হয়েছে। ব্যবহার করা হচ্ছে চারটি জেসিবি মেশিন। তা দিয়েই তুলে ফেলা হচ্ছে পিচের আস্তরণ। এরপর ধীরে ধীরে মুল কাঠামোর দুদিকের অংশ ভেঙে ফেলার কাজ করা হবে। রেল লাইনের ওপরের অংশ ভাঙার সময় ব্লক নেওয়া হবে ট্রেন চলাচলের জন্য। গোটা সেতু ভাঙতে প্রায় ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। যে সমস্ত পিচের আস্তরণ তুলে ফেলা হয়েছে সেগুলিকে কাশীপুরে সরকারের জমিতে নিয়ে রাখা হচ্ছে। এগুলিকে পরে ব্যবহার করা হবে, সেতুর নিচের অংশ ভরাট করার জন্য।

যানজট কমানোর জন্য চিৎপুর লকগেট উড়ালপুল দ্বিমুখী করা যায় কিনা তা নিয়ে আলোচনা  শুরু হয়েছে। এই উড়ালপুল দেখাশোনার দায়িত্বে আছে এইচ আর বি সি। তাদের সাথে আরও একবার আলোচনা করতে চায় পুলিশ। কারণ এই উড়ালপুল কত গাড়ির চাপ সহ্য করতে পারবে তা নিয়ে সংশয় আছে। ফলে সেতুর ধারণ ক্ষমতা পরীক্ষা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ট্রাফিকের একাংশ চাইছে গতি কমিয়ে যদি কোনওভাবে সকালের দিকে স্কুল টাইমে এই উড়ালপুল দ্বিমুখী করা যায়।

অন্যদিকে সোমবার সকাল থেকেই  টালা সেতু সংলগ্ন পথে থাকবে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ। প্রায় ৭০ জন পুলিশ থাকবেন যানজট যাতে না হয় তার দেখভাল করতে। এছাড়া বাস সংগঠনের প্রতিনিধিরাও থাকবেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে। কিন্তু সমস্যা কতটা মিটবে তা নিয়ে সংশয় অব্যাহত। সোমবারই কলকাতা পুরসভার সঙ্গেও বৈঠক করবে কলকাতা পুলিশ। লকগেট উড়ালপুল ও বি টি রোড যেখানে মিশেছে সেখানে একটি অব্যবহৃত পুরনো বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়িটি ভেঙে রাস্তা চওড়া করতে চায় পুলিশ। কাশীপুরে লেভেল ক্রসিংয়ের কাজ অবশ্য এগোচ্ছে দ্রুত। রেল ও পুলিশ সুত্রে খবর শীঘ্রই শুরু হয়ে যাবে ওই অংশ দিয়ে যান চলাচল। কিন্তু সব কিছুকে ছাপিয়ে একটাই প্রশ্ন কি হবে সোমবার?

Published by:Pooja Basu
First published: