• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কলকাতায় হো চি মিন মূর্তির সামনে আন্দোলনে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসও 

কলকাতায় হো চি মিন মূর্তির সামনে আন্দোলনে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসও 

মঙ্গলবার হোচিমিনের মূর্তির সামনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে কর্মসূচিতে দেখা গেল কংগ্রেস নেতা-সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যকে

মঙ্গলবার হোচিমিনের মূর্তির সামনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে কর্মসূচিতে দেখা গেল কংগ্রেস নেতা-সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যকে

মঙ্গলবার হোচিমিনের মূর্তির সামনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে কর্মসূচিতে দেখা গেল কংগ্রেস নেতা-সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যকে

  • Share this:

#কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় ছিলেন বামেদের প্রবল প্রতিপক্ষ, আর হো চি মিন-এর সঙ্গে রাজনৈতিক ভাবে কোনও সম্পর্ক নেই কংগ্রেসের। তবুও সাম্প্রতিক সময়ে এই দুটি মূর্তিই সাক্ষী থেকে গেল বিপরীত মেরুর দুই রাজনৈতিক দলের সহাবস্থানের।

পয়লা জুলাই প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র, সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাম পরিষদীয় দলের নেতা সুজন চক্রবর্তী , ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায় , সিপিআই রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দোপাধ্যায়, আরএসপি-র সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্যের মত প্রথম সারির বাম নেতারা। মঙ্গলবার হোচিমিনের মূর্তির সামনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে কর্মসূচিতে দেখা গেল কংগ্রেস নেতা-সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যকে।  আমফান ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ক্ষতিপূরণ, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল মকুব করা, করোনা ছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসা পরিষেবার দাবির পাশাপাশি রেল, কয়লা, প্রতিরক্ষা-সহ রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র বেসরকারিকরণ, ডিজেল-পেট্রোল- কেরোসিন- রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, শ্রম আইন সংশোধনের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি হলেও বাম ও কংগ্রেসের আসল লক্ষ্য ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। এদিন দুই দলের নেতৃত্বই তৃণমূল ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট হলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। গত লোকসভা নির্বাচনে দর কষাকষি করেও শেষ পর্যন্ত জোট ভেস্তে গিয়েছিল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। ১৮টি আসনে জয়লাভ করে এখন রাজ্যে ক্ষমতা দখল করার দাবি জানাচ্ছে তারা। সেখানে কংগ্রেস ও বামেদের ভোট অনেকটাই কমে গিয়েছে। কংগ্রেস দুটি আসনে জিতলেও বামেরা খাতাই খুলতে পারেনি। এমন অবস্থায় মরণ কামড় দিতে মরিয়া এই দুই পক্ষ ফের জোট করার কৌশল নিয়েছে। তবে এবার মানুষের আস্থা ফিরে পেতে শুধুমাত্র নির্বাচনে বিষয়টাকে আটকে না রেখে লাগাতার আন্দোলনে থেকে দলকেও চাঙ্গা করতে চাইছে। সিপিএমের পাশাপাশি বাম শরিকদের সঙ্গে আলোচনা ও কর্মসূচিতে থেকে দলীয় কর্মীদের ভারসাম্য তৈরি করার চেষ্টাও চালাচ্ছেন নেতারা।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে বহু সময়েই এই রকম ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসের বন্ধু বামেরা হলেও কেরালাতে তার বিপরীত চিত্র দৃশ্যমান। ত্রিপুরার রাজনৈতিক কৌশলও আলাদা, কারণ ? ভোট বড় বালাই!

UJJAL ROY

Published by:Rukmini Mazumder
First published: