লালে লাল রাস্তা, ১২ দফা দাবি নিয়ে শহরে বাম শ্রমিক সংগঠনের লং মার্চ

লালে লাল রাস্তা, ১২ দফা দাবি নিয়ে শহরে বাম শ্রমিক সংগঠনের লং মার্চ
চিত্তরঞ্জন থেকে কলকাতায় লং মার্চ

কেন্দ্রীয় সরকারের উদারনীতি, বেসরকারীকরন, একের পর এক কলকারখানা বন্ধ করে দেওয়া, কৃষক বিরোধী নীতি, বিলগ্নীকরন, এন আর সি, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল-এর প্রতিবাদে লংমার্চ।

  • Share this:
Abhijit Chanda

#কলকাতা: এ মাও সে তুঙের লংমার্চ নয়, এটা পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিক-কৃষক, ছাত্র-যুব, বামপন্থী দক্ষিণপন্থীদের ট্রেড ইউনিয়নের এক অভিনব লংমার্চ। ধর্ম তলায় এই লংমার্চের জেরে অবরুদ্ধ গোটা শহর। আগামী ৮ই জানুয়ারি দেশ জুড়ে হরতাল এর প্রস্তুতি এই লংমার্চ। কেন্দ্রীয় সরকারের উদারনীতি, বেসরকারীকরন, একের পর এক কলকারখানা বন্ধ করে দেওয়া, কৃষক বিরোধী নীতি, বিলগ্নীকরন, এন আর সি, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল-এর প্রতিবাদে লংমার্চ।

গত ৩০ নভেম্বর বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ ২৮৩ কিলোমিটার পদযাত্রা করে কলকাতার ধর্মতলায় শেষ হলো লংমার্চ। বাম শ্রমিক সংগঠন সিটু, এ আই টি ইউ সি, টিইউসিসির সাথে দক্ষিণপন্থী শ্রমিক সংগঠন আইএন টি ইউ সি, নকশালপন্থী শ্রমিক সংগঠন এ আইসি সি সি টি ইউ এর কয়েক হাজার শ্রমিক, ডান বাম রাজনৈতিক দলের কৃষক সভা,ছাত্র যুব মহিলা সংগঠনেরও হাজারো মানুষ পায়ে পায়ে পা মেলালেন এই লংমার্চে। কিছুদিন আগেই মহারাষ্ট্রের কৃষকদের লংমার্চে সাড়া পড়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্ব জুড়ে। ভাইরাল হয়েছিল রক্ত ঝরায় পায়ে বৃদ্ধ কৃষকের হাটা। দুধের শিশুকে কোলে নিয়ে কৃষকরমণীর দৃপ্ত ভঙ্গিতে লাল নিশান উড়ানোর ছবি।বুধবার মহানগর কলকাতা সাক্ষী থাকল এরকমই এক লংমার্চের স্মৃতিতে। শিয়ালদহ,হাওড়া স্টেশন, বরানগর থেকে বালিগঞ্জ বিভিন্ন দিক থেকে লাল পতাকা- তেরঙ্গা পতাকার এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধনে একের পর এক মিছিল আছড়ে পড়ে ধর্মতলায়।রাণী রাসমণি রোড তখন আক্ষরিক অর্থে জনসমুদ্র। মঞ্চে কোনো নামজাদা নেতা নেই, নেই কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা, তাতে কি! সিটুর সর্বভারতীয় সভাপতি তপন সেন শ্রমিকনেতা অনাদি সাহু প্রাক্তন শ্রমিক নেতা সাংসদ শ্যামল চক্রবর্তী আইএনটিইউসি নেতা কামরুজ্জামান দের বক্তব্য শুনতেই উদ্দীপনা উপস্থিত মানুষের।

First published: December 11, 2019, 7:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर