• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • LEFT FONT MEETING CALL FOR BEING UNITED IN PROTEST AGAINST BJP GOVERNMENT MORE THAN STATE GOEVRNEMT AKD

Left front Meeting| অহেতুক তৃণমূল-সরকারের সমালোচনা নয়, বরং কেন্দ্র বিরোধিতাই এবার ফোকাস বামেদের

কেন্দ্র রাজ্যের একযোগে বিরোধিতা নয়, অন্য পথে হাঁটতে চাইছে বামফ্রন্ট। প্রতীকী চিত্র

Left front Meeting|ভোটের আগে যে ভাবে অল-আউট শাসকদলের বিরোধিতায় দেখা গিয়েছিল বামফ্রন্টকে, সেখান থেকে কিছুটা হলেও সরে এসে রাজ্য সরকারের বিষয়ে সুর নরম করতে চাইছে বামফ্রন্ট,

  • Share this:

#কলকাতা: ব্যাপক জনমত নিয়ে যে দল ক্ষমতায় এসেছে নিছক সমালোচনার জন্যই তার সমালোচনা করলে মানুষ ভালো ভাবে নেবে না। কাজেই সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক, এবার এমন তত্ত্বই উঠে এল বামফ্রন্টের বৈঠকে। মঙ্গলবার বামেদের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির ছিল সিপিএম, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি, সিপিআই-ইত্যাদি বাম-শরিকের শীর্ষনেতৃত্বরা। ভোটের আগে যে ভাবে অল-আউট শাসকদলের বিরোধিতায়  দেখা গিয়েছিল বামফ্রন্টকে, সেখান থেকে  কিছুটা হলেও সরে এসে রাজ্য সরকারের বিষয়ে সুর নরম করতে চাইছে বামফ্রন্ট, এমনটাই নির্যাস বামফ্রন্টের এই বৈঠকের।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে, সর্বাত্মকভাবে তৃণমূল বিরোধিতা তথা বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করেছিল সিপিএম ও অন্যান্য ফ্রন্টশরিকরা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লাভের এতে থেকে ক্ষতি বেশি হয়েছে। ঝুলি শূন্য হয়েছে সিপিএমের। বিজেপি এবং তৃণমূলকে এক জায়গায় এনে বিজেমূল তত্ত্ব খাড়া করার প্রবণতা সাধারণ মানুষ যে খুব ভালোভাবে নেয়নি, তা বুঝিয়ে দিয়েছে ভোটের ফল। এই পরিস্থিতিতে ভোট পরবর্তী পর্যায়ে খানিকটা হলেও আত্মসমালোচনার সুর বামফ্রন্টের নেতাদের মুখে। তারা চাইছে তৃণমূল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা বজায় থাকুক, কিন্তু কথায় কথায় বিজেপির সঙ্গে এক বন্ধনিতে এনে বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা বন্ধ হোক।

এর পাশাপাশি বৈঠকে স্থির হয়েছে কেন্দ্র বিরোধিতার ক্ষেত্রে দিল্লির বামেদের পথেই হাঁটবে রাজ্যের বাম দলগুলিও। আগামী ২৪ থেকে ৩০ জুন পেট্রোপণ্য ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পথে নামবে বামেরা এমনটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে মঙ্গলবারের বৈঠকে। উল্লেখযোগ্য হল এই আন্দোলনে ফ্রন্টের বাইরের বাম দলগুলিকেও এক বন্ধনীতে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে এই সপ্তাহেই। এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কারণ ফ্রন্টের বাইরের বামদলের মধ্যে যেমন রয়েছে পিডিএস-এর মত ছোট দল, তেমনই রয়েছে সিপিআই(এমএল)-এর মতো দল। এই সিপিআই (এমএল)  বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিল যা বিজেপি বিরোধী ভোট এক জায়গায় জড়ো করতে সাহায্য করেছে শাসক দলকেই। সে ক্ষেত্রে রাজ্য রাজনীতিতে এও এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত।

ফন্ট বৈঠকে কথাবার্তার যে নির্যাস তাতে স্পষ্ট রাজ্য নয় কেন্দ্র বিরোধিতায় আপাতত ফ্রন্টের ফোকাস হবে। কথায় কথায় উঠে এসেছে রাজ্যপালের প্রসঙ্গও। রাজ্যপালের অবস্থানকে সমর্থন করতে চায়না বামফ্রন্ট। তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, প্রশ্ন উঠছে এক্তিয়ার নিয়েও, বামেরা তাঁর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেই সুর চড়াবে। নির্বাচনের যুদ্ধ ফ্রন্ট তৃণমূলকে কাছাকাছি আনতে পারেনি, এখনও তারা কাছাকাছি এমনটা বলা যায় না কোনও ভাবেই। তবে এই বৈঠকের পর এটুকু পরিষ্কার, এবার বামেরা চাইছে নিশানাটা ঠিক করতে।

Published by:Arka Deb
First published: