বাম শিবির ধাক্কা! পুরভোটের আগে বাম কাউন্সিলর যোগ দিলেন তৃণমূলে

বাম শিবির ধাক্কা! পুরভোটের আগে বাম কাউন্সিলর যোগ দিলেন তৃণমূলে

নিজের ঘরেই ফিরহাদ হাকিম তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দেন প্রাক্তন বাম কাউন্সিলরের হাতে

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতা কর্পোরেশনের ভোটের মুখে ৪১ নং ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলর রীতা চৌধুরী যোগ দিলেন তৃণমূলে। যোগ দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে। নিজের ঘরেই ফিরহাদ হাকিম তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দেন প্রাক্তন বাম কাউন্সিলরের হাতে। গত চারবার সিপিআইএমের প্রতীকে জেতা কাউন্সিলর তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেসে তিনি বলেন, ‘বাম দলের অবহেলা, অবজ্ঞার শিকার হচ্ছিলেন দিনের পর দিন। এই ব্যাপারে বিমান বসুর সঙ্গে কথা বলেও কোনো লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয় প্রতীক ত্যাগ করে,তৃণমূলের প্রতীকে রাজনীতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, ‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন অজয় মুখার্জী ছিলেন, তখন বাংলায় ‘বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেস’ নামে একটি রাজনৈতিক দল তৈরি হয়েছিল। এককথায় যার নাম ছিল ‘বি বি সি’। সেই দলের হয়ে তিনি এতদিন লড়াই করছিলেন তিনি। যখন সিপিএম ক্ষমতায় আসে এ রাজ্যে, তখন এই ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলি বামেদের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে বামফ্রন্ট তৈরি করেছিল।

তারপর থেকে এই বিবিসি দলটি সিপিআইএম এর প্রতীকে ভোটে লড়াই করে এসেছে। রীতা চৌধুরীর স্বামী, ডঃ উমেশ চৌধুরী ওই ওয়ার্ডে দু’বারে কাউন্সিলর। তারপর থেকেই রীতা চৌধুরি পরপর চারবারের কাউন্সিলর। রীতা দেবী জানান, তিনি দক্ষিণপন্থী মনোভাবাপন্ন মানুষ। বামেদের অসহযোগিতা ও লাঞ্ছনা দিনের-পর-দিন সহ্য করে এসেছেন। এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে উনি ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে চান। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মতো একজন রাজনীতিবিদের ছত্রছায়ায় থেকে জনগণের সেবায় কাজ করতে চান। তিনি এও বলেন, ‘বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুর হস্তক্ষেপ চেয়েও কোনো লাভ হয়নি। তাই আজ কলকাতা পুরসভার শেষ অধিবেশনের পরে, সুদীপ বন্দোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন।

বাম নেতাদের দাবী, উনি যেহেতু সিপিআইএম এর সদস্য ছিলেন না, তাই ওনার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগেও কোনো পদক্ষেপ করা যায়নি। তবে রীতা দেবী যেটা ভালো ভেবেছেন, সেটাই করেছেন। তবে ওই ৪১ নং ওয়ার্ডে হিন্দু ,মুসলিম ভোটারের সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি। বেশির ভাগ ভোটার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুরাগী। তাই এবার রীতা দেবীর ভোটে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ছিল বলেই দল পরিবর্তন করেছেন, এমন মনে করছেন অনেকেই৷

 SHANKU SANTRA

First published: March 7, 2020, 11:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर