কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘আমাদের সঙ্গে নেই যাঁরা তাঁদের সরাতে হবে, দলে থেকে অন্য দলের হয়ে কাজ বরদাস্ত নয়’, কড়া বার্তা মমতার

‘আমাদের সঙ্গে নেই যাঁরা তাঁদের সরাতে হবে, দলে থেকে অন্য দলের হয়ে কাজ বরদাস্ত নয়’, কড়া বার্তা মমতার
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

'দিদিকে বলো' ও 'বাংলার গর্ব মমতার' পরে নয়া কর্মসূচী হল 'বঙ্গধ্বনি'। যেখানে জনপ্রতিনিধিরা মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌছবেন ।বিধায়কদের বলা হয়েছে প্রায় ৪২,৬০০ গ্রামে তাদের পৌঁছতে হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: দলীয় বৈঠক। সেই বৈঠকে শিশির অধিকারী হাজির থাকবেন কি? সকাল থেকেই সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দেয়। যদিও বৈঠকে হাজির থাকলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সভাপতি শিশির অধিকারী। শুভেন্দু জল্পনার মধ্যেই শিশির অধিকারীর উপস্থিতি রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্রের খবর, এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায় অবশ্য  সাংগঠনিক বৈঠকে জানিয়েছেন, যারা দলবিরোধী কাজ করছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা দলে থেকেও দল বিরোধী কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দলে থাকতে গেলে নিষ্ঠা মানতে হবে। প্রসঙ্গত, কাঁথি, হলদিয়া, নন্দীগ্রামের দায়িত্বে থাকা সভাপতিদের সরাতে বলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা আসলে এর মাধ্যমে শুভেন্দু, শীলভদ্র সহ যারা দলে বেসুরো গাইছেন তাদের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এদিন দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দোপাধ্যায় একদিকে জনসংযোগ কর্মসূচী, অপরদিকে রাস্তায় নেমে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে কৃষক-শ্রমিকদের পাশে থেকে যে তৃণমূল কংগ্রেস আন্দোলন চালিয়ে যাবে এদিন তার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত শুক্রবারই দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ান'কে হরিয়ানায় আন্দোলনরত কৃষকদের কাছে পাঠিয়েছেন মমতা। নিজে ফোনে কথা বলেছেন তিনি। এদিনের বৈঠকে জানানো হয়েছে ৮-১০ ডিসেম্বর গান্ধী মূর্তির নীচে অবস্থান করবে তৃণমূল।খোদ মমতা বন্দোপাধ্যায় ১০ ডিসেম্বর হাজির থাকবেন গান্ধী মূর্তির নীচে। কৃষকদের পাশে থাকা নিয়ে। এই আন্দোলনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বেচারাম মান্না ও মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুকে। অন্যদিকে ৮-১০ ডিসেম্বর শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াবে তৃণমূল কংগ্রেস। কোল ইন্ডিয়া ভবনের সামনে হবে অবস্থান।

এছাড়া বিধানসভা ভোটের আগে ফের নয়া কর্মসূচী নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। 'দিদিকে বলো' ও 'বাংলার গর্ব মমতার' পরে নয়া কর্মসূচী হল 'বঙ্গধ্বনি'। যেখানে জনপ্রতিনিধিরা মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌছবেন এদিন জানানো হয়েছে আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে ২১ ডিসেম্বর অবধি চলবে এই প্রচার কর্মসূচী। যেখানে জনসংযোগ করা হবে লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে, ছোট ছোট সভা করে। বিধায়কদের বলা হয়েছে প্রায় ৪২,৬০০ গ্রামে তাদের পৌঁছতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রীও আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু করে দিচ্ছেন জনসংযোগ কর্মসূচী। ৭ ডিসেম্বর তার মেদিনীপুর সফর, ৮ ডিসেম্বর প্রশাসনিক সভা রাণিগঞ্জে, ৯ ডিসেম্বর তার সভা বনগাঁয়, ১৩ ডিসেম্বর সভা নাগরাকাটায়, ১৪ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি, ১৫ ডিসেম্বর সভা হবে আলিপুরদুয়ার ও ১৬ ডিসেম্বর সভা হবে কোচবিহারে।তবে দলকে এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, দলে থেকে দল বিরোধী কোনও কাজ করা যাবে না।

সূত্রের খবর, দলনেত্রী জানিয়েছেন, যারা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছে তাদের তিনি ঘৃণা করেন না। যারা আমার সাথে থাকতে চান তারা থাকুন। না হলে লুঠেরাদের কাছে চলে যান। তার অভিযোগ বিজেপি এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। ভয় না পেয়ে তার সাথে লড়াই করুন।এদিনের ভারচুয়াল বৈঠকে হাজির ছিলেন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা। কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠকে ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী ও ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। পরে যোগ দেন ফিরহাদ হাকিম ও অরুপ বিশ্বাস।

Abir Ghosal

Published by: Elina Datta
First published: December 4, 2020, 8:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर