corona virus btn
corona virus btn
Loading

বই পাড়ায় ভিজে বইয়ের মেলা! বই শুকিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই 

বই পাড়ায় ভিজে বইয়ের মেলা! বই শুকিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই 

উত্তর কলকাতার বরাবরই বদনাম জল জমার জন্য, এবারও তাই ভেবেছিল রথীন, স্বপন, রবিনরা। যে জল জমে তাতে বইয়ের ক্ষতি হয় না বিক্রেতাদের।

  • Share this:

#কলকাতা: কথা ছিল লকডাউন উঠে গেলেই ব্যাস্ত হবে বইপাড়া, তার মধ্যেই চলে এল আমফন। সাইক্লোনের কাছ থেকে বইপাড়া ভেবেছিল ছাড় পাবে।  অনেক সাইক্লোনের সাক্ষী বা রেকর্ড বর্ষার সাক্ষী থেকেছে কলেজ স্ট্রিট চত্বর। না, আমফন সেই সুযোগ দিল না। শহরের বিভিন্ন জায়গায় তান্ডব চালানোর সময় তার হাত থেকে রেহাই পেল না ওই ছোট্ট ছোট্ট দোকান ঘরগুলো।

উত্তর কলকাতার বরাবরই বদনাম জল জমার জন্য, এবারও তাই ভেবেছিল রথীন, স্বপন, রবিনরা। যে জল জমে তাতে বইয়ের ক্ষতি হয় না বিক্রেতাদের। এবার যে সব রেকর্ড ভেঙে বই চলে যাবে জলে তা বুঝতে পারেননি কেউই। কলেজ স্ট্রিটে   জল কমতেই বিক্রেতারা দেখতে এলেন তাদের দামী বইগুলো কেমন আছে? যেমন ভেবেছিল ওরা, তার থেকেও খারাপ পরিণতি হয়েছে বইপাড়ার।

বই আছে গোটা কিন্তু জলের তলায় বেশিভাগ বই। রবীন দাস বলেন,  বই আছে সবই ভেজা, আবার কবে ঘুরে দাঁরাতে পারব জানি না। শুরুই যে বই তা নয়, অনেকেই দোকানের মধ্যে রাখা টাকাও গেছে ভিজে। শনিবার দোকান খুলেই টাকা শুকাতে দিলো গনেশ প্রধান। তিনি জানালেন,  সব শেষ হয়ে গেছে টাকাগুলো শুকনো করে কিছু যদি বাঁচানো যায়। ব্যাস্ত বইপাড়ায় যে বই বিক্রি হয় প্রচুর দামে তা যেন এখন মূলহীন। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র পড়ে আছে বই। যার কোন দাবিদার নেই।

বই পড়ে আছে শুরুমাত্র একটা আশায়, যদি কিছু বই আবার আগের মত অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া যায়। এক বই বিক্রেতা জানালেন, লকডাউনে মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছিল আর আমফল কোমরটা ভেঙে দিল। কলেজ স্ট্রিট চত্বর অনেক আন্দোলনের সাক্ষী কিন্তু এই ধরনের আন্দোলনে কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয় জানে না ওরা। এক ব্যাবসায়ী জানালেন অনেক দোকানদার ট্রেন বন্ধ থাকার জন্য আসছেন না, এলে এত নষ্ট বই রাখার জায়গা হবে না।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: May 23, 2020, 9:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर