কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে অভাবী সংসারে আরও অভাবের গ্রাস! আত্মহত্যা শ্রমিকের

লকডাউনে অভাবী সংসারে আরও অভাবের গ্রাস! আত্মহত্যা শ্রমিকের

একদিকে সংসারের বিপুল খরচ, অন্যদিকে বেকার জীবনের অবসাদ যেন একটু একটু করে শেষ করে দিয়েছিল শঙ্করকে।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউন শেষ করে যত আমরা আনলকের দিকে এগিয়েছি ততই যেন অভাবের সংসারে দিন যাপন হচ্ছে বড় দায়। লকডাউনে সবার-ই যেন নুন আনতে পান্তা ফুরায়, বৃহস্পতিবার মানিকতলার একটি ঘটনা সেটাই যেন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। অভাবের সংসারে সবার যখন অবস্থা খারাপ, তখন আরও বিপদের সম্মুখিন হয়ে ছিলেন শঙ্কর গোস্বামী।

একদিকে সংসারের বিপুল খরচ, অন্যদিকে বেকার জীবনের অবসাদ যেন একটু একটু করে শেষ করে দিয়েছিল শঙ্করকে। মানিকতলার নিজের বাড়িতে বসে আর দিন কাটছিল এই শ্রমিকের। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সঙ্গী শুরুই দীর্ঘশ্বাস ও হাতে গোন কয়েকটা টাকা। দীর্ঘদিনের গেঞ্জি  কারখানার চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়েছে শঙ্কর গোস্বামী। প্রতি দিনের পারিশ্রমিক পেয়ে খুব সাচ্ছন্দ্যে না হলেও দিন কাটত শঙ্করের।  প্রতিটি মুহূর্তে ভয় থাকলেও শঙ্করের ভরসা ছিল "পেট তো চলছে, দুবেলা খাবারের যোগান তো হচ্ছে" না, শেষ রক্ষা হল না এই দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমিকের।

বৃহস্পতিবার সকালে সবার ঘুম ভাঙলেও দরজা খোলা হয়নি শঙ্করের ঘরের। বাড়ির অন্য সদস্যদের সন্দেহ বাড়ে সকালের রোদ চওড়া হতেই। বাড়ির দরজা খুলেই দেখে শঙ্কর গোস্বামী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। খবর যায় মানিকতলা থানায়, ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে দেহ। পুলিশ সূত্রের খবর একটি গেঙ্গি করখানায় শ্রমিককের কাজ করতেন শঙ্কর গোস্বামী।   স্থায়ী চাকরি না হওয়ায় দিনের মজুরি পেয়েই পেট চালাতো শঙ্কর। লকডাউনে কারখানা বন্ধ হওয়ায় কাজ চলে যায় শঙ্কর গোস্বামীর। তারপর থেকেই মানষিক অবসাদ ভুগছিল শঙ্কর।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: September 25, 2020, 10:14 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर