corona virus btn
corona virus btn
Loading

যেমন খুশি জল খরচের দিন এবার শেষ, জল মাপতে বাড়িতে বসছে মিটার !

যেমন খুশি জল খরচের দিন এবার শেষ, জল মাপতে বাড়িতে বসছে মিটার !

কতটা জল খরচ করছেন তার পুঙ্খানুঙ্খ হিসেব রাখবে পুরসভা।

  • Share this:

#কলকাতা: যেমন খুশি জল খরচের দিন এবার শেষ। এবার জল মাপতে বাড়িতে বসছে মিটার। কতটা জল খরচ করছেন তার পুঙ্খানুঙ্খ হিসেব রাখবে পুরসভা। বাড়াবাড়ি দেখলেই নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা । এমনটাই জানিয়েছেন মেয়র শোভন চট্যোপাধ্যায়।

তবে মিটার বসানো মানে জল-কর নয়। এই মিটারের জন্য কোনও অর্থ খরচ করতে হবে না বাসিন্দাদের। আশ্বাস মেয়রের। ইতিমধ্যেই কলকাতার এক থেকে ছ’নম্বর ওয়ার্ডে মিটার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

সময় বদলাচ্ছে । দ্রুত নগরান্নোয়ন হচ্ছে । মাথা তুলছে একের পর এক বহুতল। চাহিদা বাড়ছে জলের। টান পড়ছে ভূগর্ভস্থ জলের যোগানে। এই অবস্থায় জলের অপচয় রুখতে তৎপর হয়েছে কলকাতা পুরসভা।

বাড়িতে বাড়িতে লাগানো হচ্ছে জল মাপার মিটার। অর্থাৎ, পরিবারে কতজন সদস্য ? মাথাপিছু জলের খরচ কত ? এবার থেকে তার হিসেব রাখবে পুরসভা। পুরসভার হিসেবে, মাথাপিছু ১৫০ লিটার জলের প্রয়োজন। বাড়াবাড়ি অপচয় হলেই ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মেয়র। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মিটার মানে জল কর নয়। মিটার বসাতে কোনও খরচ করতে হবে না বাড়ি মালিককে।

১৮৬৮ থেকে গঙ্গার জল পরিশোধন করে উত্তর ও মধ্য কলকাতায় জল সরবরাহ শুরু করে পলতা জল শোধনাগার । প্রাথমিক পর্যায়ে এক থেকে ছ’ নম্বর ওয়ার্ডে বসানো হচ্ছে জল মাপার মিটার। ২৪ ঘণ্টাই এখানে জল সরবরাহ করা হয়। পুরসভার হিসেবে এখানে জল অপচয়েও হয় সবচেয়ে বেশি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় মিটার বসানোর কাজ চলছে। কাজের দায়িত্বে ফ্রান্সের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। খরচ ধরা হয়েছে ২৬০ কোটি টাকা। নতুন মিটারে খুশি বাসিন্দারা।

পরবর্তী পর্যায়ে জয় হিন্দ প্রকল্পে গড়িয়া পর্যন্ত মিটার বসানোর পরিকল্পনা আছে পুরসভার। মিটার বসানো হবে জোকার ১৪২, ১৪৩, ১৪৪, ১২২, ১২৩ ,১২৪, ১২৫ ওয়ার্ডেও। স্বাধীনতার আগেই জলের অপচয় রুখতে নোটিফিকেশন জারি করেছিল পুরসভা। ১৯৪৬ সালের সেই নোটিফিকেশনের উল্লেখ আছে কলকাতা পুরসভার গেজেটেও ।

First published: August 19, 2017, 6:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर