?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

সিঙ্গুরে কি সরকারি ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হয়েছিল? রায়ের পর উঠল প্রশ্ন

সিঙ্গুরে কি সরকারি ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হয়েছিল? রায়ের পর উঠল প্রশ্ন

চূড়ান্ত পর্বের শুনানিতে ৫টি প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার কোনও গ্রহণযোগ্য উত্তর দিতে পারেনি টাটা মোটরস।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: চূড়ান্ত পর্বের শুনানিতে ৫টি প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার কোনও গ্রহণযোগ্য উত্তর দিতে পারেনি টাটা মোটরস। জমি অধিগ্রহণের উদ্দেশ্যও প্রক্রিয়া নিয়ে টাটাদের বক্তব্যও সন্তুষ্ট করতে পারেনি শীর্ষ আদালতকে। শুনানির সেই পর্বেই মামলার গতি অনেকটা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। সেই পথ ধরেই বুধবার এল সিঙ্গুর রায়। সাড়ে ৩ বছর মামলা চলার পর গত মে মাসেই শুরু হয় চূড়ান্ত শুনানি। বিচারপতি গোপাল গৌড়া ও বিচারপতি অরুণ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ এই সময়ই বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে? -বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ৬০০ একর জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়

-পরে সিঙ্গুরে ১০০০ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত কীভাবে হল? -কেন বাড়তি ৪০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন পড়ল -জনস্বার্থে জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও সেই শর্ত কেন মানা হয়নি? - কীভাবে এই জমি অধিগ্রহণ জনস্বার্থের আওতায় আসে? - অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়নি কেন? সেই শুনানি চলার সময় বিচারপতিদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় টাটাদের আইনজীবীকে। অধিগ্রহণের দায় সম্পুর্ণভাবে তৎকালীন রাজ্য সরকার ও তাদের নোডাল এজেন্সির ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন টাটার আইনজীবী। তখনই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, টাটাদের জন্যই জমি অধিগ্রহণ করা হয়। এই দায় তারা এড়াতে পারেনা। সুপ্রিম কোর্টের পর্যালোচনায় উঠে আসা তথ্য, জমি অধিগ্রহণের আগে জনমত যাচাই এবং সয়েল ও ফিসিবিলিটি টেষ্ট হয়নি আইন মেনে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ ও অনুর্বর অঞ্চল চিহ্নিত করে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে অথচ সিঙ্গুরের ৩ ফসলি জমিকে কারখানার জন্য বেছে নেওয়া হয় টাটা মোটরস এটা করতে পারে না রাজ্য সরকার তাদের সাহায্য করেছিল টাটা পছন্দমতো জায়গা চেয়ে দরবার করেছিল এটা কীভাবে অস্বীকার করা যায়? সিঙ্গুরে জমি ছাড়ার বিনিময়ে টাটাদের ক্ষতিপূরণের দাবিও বিশেষ পাত্তা পায়নি আদালতে। সিঙ্গুরে বিনিয়োগ করতে চেয়ে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে টাটাদের। তথ্য দিয়ে তা প্রমাণই করতে পারেনি টাটারা। অধিগ্রহণ পর্বে তৎকালীন বাম সরকারের ভূমিকাও প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে। সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ অবৈধ বলে রায় দেয় সু্প্রিম কোর্ট৷ বেসরকারি সংস্থার জন্য বাম সরকার সরকারি ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছে ৷ যথাযথ খোঁজখবর করে জমি নেওয়া হয়নি ৷ জমি অধিগ্রহণের আগে খোঁজ নেওয়া হয়নি ৷ আদালতের পর্যবেক্ষণ, এভাবে বেসরকারি সংস্থার জন্য অধিগ্রহণ করা যায় না ৷ শুনা্নির শেষ পর্বে বৃহত্তর বেঞ্চে মামলা স্থানান্তরেরও আরজি জানায় টাটা মোটরস। যা নিয়ে সংস্থাকে আলাদা হলফনামা জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। সেই আবেদনেও কাজ হয়নি।মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিচারপতি ভি গোপাল গৌড়া ও বিচারপতি অরুণ মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ। সেই পথ ধরেই এল বুধবারের রায়।

First published: August 31, 2016, 7:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर