Home /News /kolkata /
মেট্রোরেলে শৌচালয় তৈরির কাজ বন্ধ

মেট্রোরেলে শৌচালয় তৈরির কাজ বন্ধ

রোজ অসংখ্য মানুষ মেট্রোয় যাতায়াত করেন। কিন্তু তাঁদের জন্য একটি শৌচালয়ও নেই মেট্রো স্টেশনগুলিতে। একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও যাত্রীদের দাবি সত্বেও স্টেশনে শৌচালয় তৈরি করেনি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: রোজ অসংখ্য মানুষ মেট্রোয় যাতায়াত করেন। কিন্তু তাঁদের জন্য একটি শৌচালয়ও নেই মেট্রো স্টেশনগুলিতে। একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও যাত্রীদের দাবি সত্বেও স্টেশনে শৌচালয় তৈরি করেনি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশে সম্প্রতি কাজ শুরু হয়েও বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই উদ্যোগ। এই পরিস্থিতিতে ভোগান্তি অব্যাহত মেট্রোযাত্রীদের।

    ৩২ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও কলকাতা মেট্রো রেলের একটি স্টেশনেও যাত্রীদের জন্য শৌচালয় নেই। কর্মীদের জন্য অবশ্য প্রতি স্টেশনেই কয়েকটি শৌচালয় রয়েছে। তিন দশকে মেট্রোপথ অনেকটাই দীর্ঘ হয়েছে। বর্তমানে নোয়াপাড়া থেকে নিউ গড়িয়া পর্যন্ত রুটে মেট্রো চলে। এই দীর্ঘ পথে কোনও শৌচাগার না থাকায় মহিলা, শিশু, প্রৌঢ় এবং অসুস্থ যাত্রীরা বারে বারে অসুবিধায় পড়েন।

    সম্প্রতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশে আশার আলো দেখা গিয়েছিল । কলকাতা মেট্রোর প্রতিটি স্টেশন ও ট্রেনে শৌচালয় তৈরির নির্দেশ দেয় মানবাধিকার কমিশন। সেইমতো এসপ্ল্যানেড, ময়দান ও এমজি রোড স্টেশনের বাইরে শৌচালয় তৈরিতে উদ্যোগী হয় মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, এসপ্ল্যানেড ও ময়দান স্টেশন চত্বরে নতুন নির্মাণের অনুমতি দেয়নি প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

    এমজি রোডেও কাজ শুরুতে বিভিন্ন বাধা আসে। যার জেরে থমকে মেট্রো কর্তৃপক্ষের শৌচালয় তৈরির গোটা পরিকল্পনাই। এই অবস্থায় অসন্তুষ্ট দীর্ঘদিন ধরে মেট্রোয় শৌচালয়ের দাবি জানিয়ে আসা এপিডিআর।

    মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, টানেলের মধ্যে নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ নয়। তাই ট্রেনে বা স্টেশনের ভিতরে কোনওভাবেই শৌচালয় তৈরি সম্ভব নয়। যদিও এই যুক্তি মানতে নারাজ এপিডিআর।

    প্রতিদিন গড়ে ছয় লাখেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করেন মেট্রোয়। যার একটা বড় অংশই মহিলা, শিশু বা বৃদ্ধ। শৌচালয়ের অভাবে প্রায় প্রতিদিনই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এই সমস্যা থেকে আপাত মুক্তির কোনও আশা নেই ৷

    First published:

    Tags: Kolkata metro, Kolkata Metro Rail, Metro Station Toilet, Toilet Construction stopped

    পরবর্তী খবর