• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • STATE DECIDED TO CLOSE SMALL SAVING SCHEME WHICH WAS STARTED AFTER SARADA SCAM

বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যে চিটফান্ড কেলেঙ্কারির পর চালু হওয়া সরকারি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প

বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যে চিটফান্ড কেলেঙ্কারির পর চালু হওয়া সরকারি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প

বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যে চিটফান্ড কেলেঙ্কারির পর চালু হওয়া সরকারি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প

  • Share this:

    #কলকাতা: আপাতত বন্ধ রাজ্যের সেফ সেভিংস স্কিম ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের অসহযোগিতায় সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল রাজ্যের সেফ সেভিংস স্কিম। স্বপ্ন দেখিয়েও ব্যর্থ রাজ্যের স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প ৷

    ২০১৩ সালে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে তৈরি হয় স্মল সেভিংস স্কিম। চিটফান্ড কেলেঙ্কারি নিয়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষ সেসময় জেরবার। আস্থা ফেরাতে শ্যামল সেন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকার তৈরি করেছিল এই সঞ্চয় প্রকল্প। ঠিক হয় শ্যামল সেন কমিশন ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা ফেরাবে। আর সরকারি ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে টাকা রেখে বেশি সুদ হারে সুদ পাবেন সাধারণ মানুষ। যদিও রাজ্যের ভাবনা মতো জনপ্রিয়তা পায়নি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প।

    ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্য সরকার এই সেফ সেভিং স্কিমের সূচনা হয়। তার আগে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার বিষয়টি সামনে আসে। সর্বস্বান্ত হন সাধারণ মানুষ। এর হাত থেকে বাঁচাতেই রাজ্য সরকারের নিজস্ব আর্থিক সুরক্ষা প্রকল্প বা সেফ সেভিং স্কিম চালু করে। যাতে সরকারি সঞ্চয় প্রকল্পে মানুষ টাকা রাখতে পারেন। তাতে টাকা সুরক্ষিত থাকবে। সুদের হার রাখা হয়েছিল ৯ থেকে ৯.২৫ শতাংশ। যে কোনও ব্যাঙ্কের সুদের হারের থেকে বেশি।

    সে সময় সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কাছে আবেদন জানানো হয় এই প্রকল্প তুলে ধরার জন্য। কিন্তু, কোনও ব্যাঙ্কই সে সময় এগিয়ে আসেনি। একমাত্র ইউবিআই ছাড়া। কিন্তু, চার বছরের মাথায় ইবিআই-ও রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল তারাও এই প্রকল্প চালাতে রাজি নয়। এর ফলে, রাজ্যের অর্থদফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। এরপরই সাময়িক ভাবে ওই প্রকল্প বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের দাবি, ব্যাঙ্ক গুলি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ। তাই কেন্দ্রের অসহযোগিতার জন্যই এই প্রকল্প বন্ধ করে দিতে বাধ্য হল রাজ্য। পোস্টঅফিসের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু, পোস্টঅফিসের এজেন্টরা এই প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি। তারাও কেন্দ্রের বিরুদ্ধেই আঙুল তুলছে।

    ২০১৩-১৪ সাল ছাড়া পরের বছর থেকেই প্রকল্প ধুঁকতে শুরু করে। তার কারণ, ব্যাঙ্কগুলি পাশে নেই। যতটা প্রচার করা দরকার ছিল ততটা হয়নি, চড়া সুদ হওয়ায় ইউবিআই-ও আগ্রহ হারিয়েছে। আমানতকারীদের সংখ্যাও কমেছে।

    প্রকল্প চালু হওয়ার পর চার বছরে জমা পড়েছে মাত্র সাড়ে চার কোটি টাকা। স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের ক্ষেত্রে যা অত্যন্ত কম বলেই মনে করছেন অর্থ দফতরের কর্তারা। এই স্কিম নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে অর্থদফতর। দেখা যায়,

    স্বল্প সঞ্চয় স্কিম,

    -২০১৩-১৪ আর্থিক বছরে সঞ্চয় হয়েছে ২.৫ কোটি টাকা -২০১৪-১৫ আর্থিক বছরে সঞ্চয় হয়েছে ৭২ লক্ষ টাকা -২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে সঞ্চয় হয়েছে ৪৯ লক্ষ টাকা -২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে সঞ্চয় হয়েছে ৯০ লক্ষ টাকা

    রাজ্য ব্যাঙ্ক বা পোস্টঅফিসকে জোগাড় করতে না পারলে ওই প্রকল্প আর কখনও চালু করা যাবে না।

    First published: