নতুন যুবভারতী অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের জন্য কতটা তৈরি ? দেখে নিন

বয়স ৩৩। এই বয়সে কত ঝড় সামলেছে। এবার বড় দায়িত্ব।

বয়স ৩৩। এই বয়সে কত ঝড় সামলেছে। এবার বড় দায়িত্ব।

  • Share this:

    #কলকাতা: বয়স ৩৩। এই বয়সে কত ঝড় সামলেছে। এবার বড় দায়িত্ব। কলকাতার যুবভারতী তৈরি যুব বিশ্বকাপের ফাইনালের জন্য।

    মেসি থেকে মারাদোনা। চিমা থেকে ভাইচুং। গত ৩৩ বছরে ভারতীয় ফুটবল বিভিন্ন ইতিহাসের সাক্ষী যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। সেই মাঠের মাথায় এবার সেরা মুকুট। ২৮ অক্টোবর এই মাঠেই হবে যুব বিশ্বকাপের ফাইনাল।

    এক ঝলকে যুবভারতী --------------- এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্টেডিয়ামে

    কলকাতার এই স্টেডিয়ামের বয়স ৩৩

    সংস্কারের পর দর্শক আসন ৬৮ হাজার

    প্রথম ম্যাচ এগারোই জানুয়ারি ১৯৮৪, নেহরু কাপে ভারত বনাম পোল্যান্ড

    সুপার সকারে খেলে গিয়েছে বকুম, পিএসভি’র মতো ক্লাব

    মোহনবাগানের শতবর্ষে এই মাঠে খেলেছে রজার মিল্লার ডায়মণ্ড ক্লাব

    ১৯৯৭ সালের ১৩ জুলাই ফেডারেশন কাপে বড় ম্যাচ, লোক হয়েছিল ১ লাখ ৩১ হাজার

    ২০০৮ সালে কলকাতায় এসে যুবভারতীতে ম্যাচ দেখেন মারাদোনা

    ২০১১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর অধিনায়ক মেসির অভিষেক, আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ভেনেজুয়েলা

    ২০১২ সালের ডিসেম্বর অলিভার কানের ফেয়ারওয়েল ম্যাচ

    ২০১৫ সালে প্রদর্শনী ম্যাচে খেলছেন ব্রাজিলের প্রাক্তন তারকারা

    এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্টেডিয়াম। যার বয়স ৩৩ বছর। সংস্কারের পর খেলা দেখতে পারবেন ৬৮ হাজার জনতা। ১৯৮৪ সালের ১১ জানুয়ারি নেহরু কাপে ভারত-পোল্যান্ড ছিল প্রথম ম্যাচ। স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি। এই মাঠে সুপার সকার খেলে গিয়েছে জার্মান ক্লাব বকুম এবং ডাচ জায়েন্ট পিএসভি আইন্দোভেন। মোহনবাগানের শতবর্ষে কলকাতা কাঁপিয়ে গিয়েছিলেন রজ্জার মিল্লা ও তাঁর ডায়মণ্ড ক্লাব। ১৯৯৭ সালের ১৩ জুলাই। ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনাল বিখ্যাত ডায়মণ্ড ম্যাচ হিসেবে। সেই ম্যাচে দর্শক হয়েছিল এক লাখ ৩১ হাজার। যা একটা রেকর্ড। ২০০৮ সালে মাঠে বসে ম্যাচ দেখেছিলেন মারাদোনা। ২০১১ সালে ২ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনার জার্সিতে অধিনায়ক মেসির অভিষেক এই মাঠে। ২০১২ সালে এই মাঠ থেকেই বিশ্বকে বিদায় জানিয়েছিলেন জার্মান গোলকিপার অলিভার কান। সবমিলিয়ে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল। ফিফার ইঙ্গিত, বিশ্বকাপের প্রচারে কলকাতায় আসতে পারেন একাধিক তারকা। থাকতে পারেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও।

    First published: